রবিবার ফলতা উপনির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে বিঁধে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘ভবানীপুরে কী ভাবে জিতেছেন? সেটা আদালতে বলব। আপনার যদি সাহস থাকে তো ফরেনসিক রিপোর্ট করান। ইভিএমের রিপোর্ট চাই আমাদের।’’
বিধানসভা ভোটে পর্যুদস্ত হওয়ার তিন সপ্তাহ পর নয়া অভিযোগ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তিনি আবার দাবি করেছেন, তৃণমূল বিধানসভা ভোটে হারেনি। মানুষ ভোট দিয়েছেন। কিন্তু তাঁদের হারানো হয়েছে। বিজেপিকে সাহায্য করেছে নির্বাচন কমিশন। এমনকি, ভবানীপুরেও তাঁকে জোর করে হারানো হয়েছে। এ নিয়ে আদালতে যা বলার বলবেন।
প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “যিনি রাজশাসন করছেন, তাঁর চেয়ারে বসার কথা নয়, ২০ দিন মুখ বুজে সহ্য করেছি’’! তিনি নাম-না করে শুভেন্দুবাবুকে নিশানা করে বলেন, ‘‘হারের জায়গায় জেতা, জেতার জায়গায় হারা, এই পাশাটাই উল্টেছে প্রায় দেড়শো সিটে। সেটা না হলে আমরা ২২০ থেকে ২৩০ আসন পেতাম।’’
তৃণমূলনেত্রীর সংযোজন, ‘‘যিনি এখন চেয়ারে বসেছেন, তাঁর তো ওই চেয়ারে বসারই কথা নয়। ভোটলুট করে রাজশাসনে বসেছেন। তিনি কী করে মানুষের দুঃখ-দুর্দশা বুঝবেন। তৃণমূল কংগ্রেস দেখলেই কয়েকটা লুম্পেন চোর-চোর বলে বেড়াচ্ছে। এরা বাংলার লোক নয়, বহিরাগত। ক্ষমতায় এসে বুলডোজ়ার চালিয়ে মানুষের জীবিকা কেড়ে নিচ্ছে!’’
তিনি যে বিধানসভার প্রার্থী ছিলেন, সেই ভবানীপুরেও ভোট লুট হয়েছে বলে আবার অভিযোগ করেছেন মমতা। তাঁর কথায়, ‘‘আপনারা এজেন্টদের আইডি কার্ড কেড়ে নিয়েছেন। আমার কেন্দ্রে আমি যখন খবর পেয়ে গেছি… আমি ১৩ হাজার ভোটে এগিয়ে ছিলাম।’’ নাম না-করে শুভেন্দুকে নিশানা করেন তিনি। বলেন, ‘‘ যিনি এখন গদিতে বসেছেন, তাঁর নাম করতে আমার ভাল লাগে না। তাঁকে আমরা অনেক দিন ধরে চিনি। তিনি নিজে বসে লুট করছিলেন। আমাকে ঘাড়ধাক্কা দিতে দিতে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।’’ মমতার দাবি, ‘‘হারের জায়গায় জেতা, জেতার জায়গায় হারা, এই পাশাটাই উল্টেছে প্রায় দেড়শো সিটে।’’


Recent Comments