back to top
Thursday, September 10, 2026
Leaderboard Ad Space (728x90) - Responsive
Homeরাজ্য ও রাজনীতিThe opposition camp exploded সর্বদল বৈঠকে বিতর্ক, বয়কট তৃণমূল-সহ বিরোধীদের

The opposition camp exploded সর্বদল বৈঠকে বিতর্ক, বয়কট তৃণমূল-সহ বিরোধীদের

সংসদের বাদল অধিবেশন শুরুর আগেই রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়ে গেল। রবিবার সংসদের অ্যানেক্স ভবনে অনুষ্ঠিত সর্বদল বৈঠকে বিদ্রোহী ২০ জন সাংসদের উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়। বৈঠকের শুরুতেই তাঁদের স্বাগত জানান কেন্দ্রীয় সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরণ রিজিজু এবং প্রতিমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল। এরপরই আপত্তি জানিয়ে সরব হয় তৃণমূল কংগ্রেস-সহ একাধিক বিরোধী দল। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছায় যে শেষ পর্যন্ত বৈঠক বয়কট করে বেরিয়ে আসেন বিরোধী সাংসদেরা।

শনিবার রাতে সংসদ সচিবালয়ের প্রকাশিত আসন বিন্যাসের তালিকায় তৃণমূল কংগ্রেসের মোট ২৮ জন সাংসদের নাম থাকলেও দলত্যাগী ২০ জন সাংসদের জন্য পৃথক আসনের ব্যবস্থা করা হয়। যদিও তাঁদের নতুন রাজনৈতিক পরিচয় এখনও লোকসভার স্পিকারের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি পায়নি। এই অবস্থায় তাঁদের সর্বদল বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো এবং বিশেষ মর্যাদা দেওয়াকে কেন্দ্র করেই শুরু হয় বিতর্ক।

বৈঠক শেষে সংসদ ভবনের বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র প্রশ্ন তোলেন, স্পিকার যখন এখনও দলত্যাগী সাংসদদের নতুন অবস্থান সম্পর্কে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাননি, তখন কী ভিত্তিতে তাঁদের সর্বদল বৈঠকে ডাকা হল? তাঁর অভিযোগ, সংসদীয় নিয়ম ও প্রথাকে উপেক্ষা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বিরোধী দলগুলি সংসদীয় রীতিনীতির মর্যাদা রক্ষার স্বার্থেই এই বৈঠক বয়কট করেছে।

তৃণমূলের এই অবস্থানের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বৈঠক থেকে বেরিয়ে আসেন কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি, ডিএমকে, সিপিআই এবং শিবসেনার (উদ্ধব ঠাকরে শিবির) প্রতিনিধিরাও। বিরোধী দলগুলির দাবি, স্পিকারের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের আগে কোনও দলত্যাগী গোষ্ঠীকে পৃথক পরিচয়ে স্বীকৃতি দেওয়া সংসদীয় বিধির পরিপন্থী এবং এটি ভবিষ্যতে একটি অস্বস্তিকর নজির তৈরি করতে পারে।

এদিকে, বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমেও রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ জয়রাম রমেশ কেন্দ্রের ভূমিকার সমালোচনা করে পোস্ট করেন। সেই বক্তব্য ভাগ করে নিয়ে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন বিরোধী ঐক্যের বার্তা তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট ইঙ্গিত মেলে যে, এই ইস্যুতে বিরোধীরা একজোট হয়ে সরকারের বিরুদ্ধে সরব হতে চলেছে।

আরো পড়ুন:  নির্ধারিত হল মুখ্যমন্ত্রীর পশ্চিমাঞ্চল সফরও

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, স্পিকারের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের আগেই দলত্যাগী সাংসদদের যে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, তা বিরোধীদের কাছে বড় রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে উঠেছে। আগামী বাদল অধিবেশনে এই বিষয়টি নিয়ে সরকারকে চাপে ফেলতে বিরোধীরা কৌশলগতভাবে এগোবে বলেই মনে করা হচ্ছে। ফলে অধিবেশন শুরুর আগেই যে সংঘাতের আবহ তৈরি হয়েছে, তা আগামী কয়েক দিনে আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

Author

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Demo Ad
Sponsored Links

Most Popular

Recent Comments