back to top
Wednesday, June 10, 2026
Leaderboard Ad Space (728x90) - Responsive
Homeরাজ্য ও রাজনীতিAdministrative meeting regarding Eid al-Adha: কুমারগঞ্জে কোরবানি ঈদ ঘিরে প্রশাসনিক বৈঠক, রাজ্যের...

Administrative meeting regarding Eid al-Adha: কুমারগঞ্জে কোরবানি ঈদ ঘিরে প্রশাসনিক বৈঠক, রাজ্যের নির্দেশিকায় ক্ষুব্ধ মুসলিম প্রতিনিধিরা

নিজস্ব সংবাদদাতা: আসন্ন ঈদ উল আযহা বা কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে কুমারগঞ্জ ব্লক প্রশাসনের উদ্যোগে এক বিশেষ বৈঠকের আয়োজন করা হয়। তবে সেই বৈঠক শেষে রাজ্য সরকারের জারি করা কোরবানি সংক্রান্ত নির্দেশিকা নিয়ে গভীর হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন উপস্থিত মুসলিম ধর্মীয় প্রতিনিধি, ইমাম ও ঈদগাহ কমিটির সদস্যরা। তাঁদের অভিযোগ, বর্তমান নির্দেশিকার কঠোর ও জটিল নিয়ম মেনে বাস্তবে গরু কোরবানি দেওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়াবে।

কুমারগঞ্জ ব্লক প্রশাসনের আয়োজিত ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিডিও শুভঙ্কর সাহা, জয়েন্ট বিডিও পবিত্র বর্মন, ডিএসপি (ডি অ্যান্ড টি) শাহজাহান মণ্ডল, কুমারগঞ্জ থানার আইসি মানবেন্দ্রনাথ সাহা সহ প্রশাসনের একাধিক আধিকারিক। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা মাদ্রাসা সমন্বয় সমিতির রাবেতা জেলা সম্পাদক মৌলানা মাকসুদ আলী কাসেমী, ইমাম ও ঈদগাহ প্রতিনিধিরা।

বৈঠকে রাজ্য সরকারের পাঠানো নির্দেশিকা পড়ে শোনান বিডিও শুভঙ্কর সাহা। সেখানে পশু কোরবানির ক্ষেত্রে পশুর বয়স, স্বাস্থ্য সংক্রান্ত শংসাপত্র, নির্দিষ্ট নথিপত্র সহ একাধিক বিধিনিষেধের কথা উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি জানানো হয়, নির্দেশিকা অমান্য করলে এক হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা, ছয় মাসের কারাদণ্ড অথবা উভয় শাস্তির মুখোমুখি হতে হতে পারে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে সমস্ত ইমাম, মুয়াজ্জিন ও ঈদগাহ কমিটির মাধ্যমে এই নির্দেশিকা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়। তবে বৈঠকে উপস্থিত মুসলিম প্রতিনিধিরা বিভিন্ন প্রশ্ন তুললেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই প্রশাসনের তরফে স্পষ্ট উত্তর মেলেনি বলে অভিযোগ ওঠে। সব ক্ষেত্রেই “সরকারি নির্দেশ মেনে চলতে হবে” বলেই জানানো হয় বলে দাবি প্রতিনিধিদের।

এদিনের বৈঠকে তৃতীয়বার নির্বাচিত কুমারগঞ্জের বিধায়ক তোরাফ হোসেন মণ্ডলের অনুপস্থিতি নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন একাংশ ইমাম ও মুয়াজ্জিন। তাঁদের মতে, এত গুরুত্বপূর্ণ একটি বৈঠকে স্থানীয় বিধায়কের উপস্থিত থাকা উচিত ছিল।

দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা মাদ্রাসা সমন্বয় সমিতির জেলা সম্পাদক মৌলানা মাকসুদ আলী কাসেমী বলেন, “রাজ্য সরকারের এই নির্দেশিকা বাস্তবে মেনে গরু কোরবানি দেওয়া কার্যত অসম্ভব। এত কঠোর ও জটিল নিয়ম সাধারণ মানুষের পক্ষে পালন করা খুবই কঠিন। মুসলিম সমাজ এই নির্দেশিকায় চরম হতাশ, দুঃখিত ও ব্যথিত।”

আরো পড়ুন:  Assembly Election 2026: ‘মানুষের পাশে দাঁড়াতে’ পদ্মপতাকা নিতে চান টুম্পা

তিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজ্য সরকারের কাছে বিষয়টি পুনর্বিবেচনার আবেদন জানান। তাঁর বক্তব্য, পূর্বের মতো শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখেই যাতে ঈদ পালন করা যায়, সেই ব্যবস্থা করা হোক। উপস্থিত অন্যান্য মুসলিম প্রতিনিধিরাও একই সুরে নিজেদের উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

Author

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Demo Ad
Sponsored Links

Most Popular

Recent Comments