“দেশের অন্যান্য রাজ্যে শান্তিপূর্ণভাবে এসআইআর হয়েছে, কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে সুপ্রিম কোর্টকে জুডিসিয়াল অফিসার নিয়োগ করতে হয়েছে। এটি অত্যন্ত লজ্জাজনক।” শনিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায়মন্ত্রী অমিত শাহ সাংবাদিকদের কাছে এই মন্তব্য করেন।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার ‘ভিক্টিম কার্ড’ রাজনীতি খেলেন—কখনও নিজের অসুস্থতা, পা ভাঙা , মাথা ফাটা, কখনও নির্বাচন কমিশনকে দোষারোপ। কিন্তু বাংলার মানুষ এই ভিক্টিম কার্ড পলিটিক্স রাজনীতি বুঝে গেছেন। নির্বাচন কমিশনের মতো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে আক্রমণ করা বাংলার সংস্কৃতির পরিপন্থী।
মহিলাদের নিরাপত্তার অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। সন্দেশখালি, পার্ক স্ট্রিট, হাঁসখালি, কামদুনি—এমন বহু ঘটনার সাক্ষী বাংলা। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়েছে। ৩০০-রও বেশি রাজনৈতিক কর্মী বিশেষ করে বিজেপি কর্মী খুন হয়েছেন, বিরোধী দলনেতা ও অন্যান্য নেতাদের ওপর আক্রমণ হয়েছে। আক্রমণ থেকে বাদ যাননি পূর্বতন সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা।
আজ তৃণমূল পশ্চিমবঙ্গকে যে জায়গায় নিয়ে গেছে সেই পশ্চিমবঙ্গ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাংলা নয়। সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে বিকৃত করা হচ্ছে। বহু শিল্প প্রতিষ্ঠান রাজ্য ছেড়ে চলে গেছে।


Recent Comments