back to top
Tuesday, May 12, 2026
Leaderboard Ad Space (728x90) - Responsive
Homeরাজ্য ও রাজনীতিসুস্থ প্রশাসনের স্বার্থে নয়া সরকারের মন পেতে চায় কোঅর্ডিনেশন কমিটি

সুস্থ প্রশাসনের স্বার্থে নয়া সরকারের মন পেতে চায় কোঅর্ডিনেশন কমিটি

অশোক সেনগুপ্ত

বিপুল জনাদেশ নিয়ে নির্বাচিত দলের নয়া সরকারের কাছে সুবিচার চাইবে ‘রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ’ বলে চিহ্ণিত সিপিএম-এর সরকারি কর্মী সংগঠন কো অর্ডিনেশন কমিটি। শীঘ্রই তাঁরা এ ব্যাপারে নয়া মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় বসতে আগ্রহী।

বেতন কমিশন কার্যকরী করা, বকেয়া মহার্ঘ্যভাতা, বদলিনীতি প্রভৃতির দাবিতে অনেক বছর ধরেই সরব কো অর্ডিনেশন কমিটি। অভিযোগ, বাম আমলের অবসানের পর প্রথম থেকেই তৃণমূল সরকার এই সব দাবি অমান্যর পথে হাঁটে। কমিটির ১৮ কর্তা ২০১৮ সালে নবান্ন-তে দরবার করতে গিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়েন। তাঁদের দূরের জেলায় বদলি করে দেওয়া হয়। বহু আবেদন-নিবেদন করেও তাঁরা সুবিচার পাননি।

এখনও কো অর্ডিনেশন কমিটি রাজ্যের সবচেয়ে বড় সরকারি কর্মী সংগঠন। শুক্রবার এ কথা জানিয়ে কমিটির রাজ্য সম্পাদক বিশ্বজিৎ গুপ্ত এই প্রতিবেদককে বলেন, “পেনশনভোগী অর্থাৎ অবসরপ্রাপ্তদের ধরলে কমিটির সদস্যসংখ্যা প্রায় দু’লক্ষ। কর্মরতসদস্যসংখ্যা প্রায় ৪৫ হাজার। এই বিপুল সংখ্যক কর্মীকে শত্রুর মতো বিবেচনা করলে তা আদতে সরকারেরই ক্ষতি। নীতি ও আদর্শগত বিরোধ থাকতেই পারে। আমরা নিজেদের স্বার্থে পারস্পরিক সহযোগিতামূলক মনোভাব নিয়ে এগোতে চাই। বছরের পর বছর আমাদের অনেক সমর্থককে কেবল প্রতিহিংসার জন্য জেলায় কাজ বা দায়িত্ব না দিয়ে বসিরে রেখে বেতন দেওয়া হচ্ছে। এতে ক্ষতি হচ্ছে সরকারি তহবিলের। এর মধ্যে যুগ্ম সচিব, সেকশন অফিসার, স্পেশাল অফিসাররা অনেকে আছেন।”

বিশ্বজিৎ গুপ্ত বলেন, আমাদের নায্য দাবি নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে যে ১৮ জন সরকারের রোষনজরে পড়ি, তাঁদের ৬ জনকে দার্জিলিংয়ে, ১০ জনকে মুর্শিদাবাদে বদলি করে দেয় মমতা সরকার। একজন হাইকোর্টে মামলা করে বদলি ঠেকান। অপর একজন বিতর্কের মধ্যে অবসর নেন। দার্জিলিংয়ে বদলি হওয়া প্রায় সবাইকে ওখান থেকেই অবসর নিতে হয়। আমি ৪ বছর ওখানে কাটিয়ে প্রথমে হরিণঘাটা, পরে পলাশিতে বদলি হয়েছি। রীতি অনুযায়ী অন্য দলের সরকারি কর্মীসমিতির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব যে যাঁর নিজের জেলাসদরে আছেন। কো অর্ডিনেশন কমিটি ছিল তৃণমূলের চোখের বালি।

আরো পড়ুন:  “দুর্বল হলে তৃণমূল করার দরকার নেই”, কর্মীদের চাপে রাখার সঙ্গে সতর্কতার বার্তা মমতার

তৃণমূল আমলে নিয়োগে স্বেচ্ছাচারিতার প্রসঙ্গে বিশ্বজিৎ গুপ্ত বলেন, “রীতি ভাঙার অনেক উদাহরণ আছে। পিএসসি-র পরীক্ষায় ভালো ফল করা অফিসারদের সাধারনত যেরকম বিভাগে বা পদে দেওয়া রীতি, তা মানা হয়নি। কাজের উৎকর্ষতা এবং কর্মসংস্কৃতির জন্য আমরা এই ‘ডিটেনমেন্ট পলিসি’-র বিষয়টিতেও গুরুত্ব দিতে নয়া সরকারের কাছে আমরা আবেদন করব।”

Author

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Demo Ad
Sponsored Links

Most Popular

Recent Comments