দুর্গাপুজোর আর মাত্র কয়েক মাস বাকি। সাধারণত এই সময় থেকেই বিভিন্ন পুজো কমিটি থিম নির্বাচন, মণ্ডপ নির্মাণ এবং অন্যান্য প্রস্তুতির কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। কিন্তু এ বছর কলকাতার বেশ কয়েকটি পরিচিত পুজো কমিটির মধ্যে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা ও দুশ্চিন্তা।
বিভিন্ন জায়গায় কমিটির পুনর্গঠন বা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া চলছে। ফলে পুজোর পরিকল্পনা ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে অনেক প্রশ্ন সামনে এসেছে। বিশেষ করে বড় বাজেটের পুজোগুলির ক্ষেত্রে স্পনসরশিপ পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। কারণ অনেক পুজোর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের নাম জড়িয়ে থাকায় সম্ভাব্য স্পনসরদের মনোভাব নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।
কিছু পুজো উদ্যোক্তার মতে, পুজোর মূল পরিচয় হওয়া উচিত সামাজিক ও সাংস্কৃতিক। কোনও রাজনৈতিক পরিচয়ের ছাপ থাকলে তা ভবিষ্যতে সমস্যার কারণ হতে পারে। তাই অনেকেই এবার নতুনভাবে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে চাইছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের আরও বেশি করে যুক্ত করার পরিকল্পনাও নেওয়া হচ্ছে।
অন্যদিকে, কয়েকটি ঐতিহ্যবাহী পুজো কমিটি জানিয়েছে যে তারা ইতিমধ্যেই থিম নির্বাচন ও প্রস্তুতির কাজ শুরু করে দিয়েছে। যদিও স্পনসরশিপ ও বাজেটের বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত হয়নি, তবুও আয়োজকরা আশাবাদী যে প্রয়োজন হলে খরচ কমিয়ে হলেও পুজোর আয়োজন করা হবে।
সব মিলিয়ে বলা যায়, এ বছরের দুর্গাপুজোর প্রস্তুতিতে কিছুটা অনিশ্চয়তা থাকলেও উৎসব বন্ধ হওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। আয়োজকদের একটাই বার্তা— জাঁকজমক কমতে পারে, বাজেট ছোট হতে পারে, কিন্তু বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসব যথাযথ মর্যাদাতেই অনুষ্ঠিত হবে। :::
এই লেখাটি সম্পূর্ণ নতুনভাবে সাজানো হয়েছে, যাতে সরাসরি কোনও সংবাদপত্রের ভাষা বা বাক্য ব্যবহার না থাকে।


Recent Comments