back to top
Monday, May 25, 2026
Leaderboard Ad Space (728x90) - Responsive
HomeCrime and Accidentদরজার তালা ভেঙে শান্তনু সিন্হা বিশ্বাসের পৈতৃক বাড়িতে ইডি (ED); প্রাক্তন ডিসিপি...

দরজার তালা ভেঙে শান্তনু সিন্হা বিশ্বাসের পৈতৃক বাড়িতে ইডি (ED); প্রাক্তন ডিসিপি (DCP)-র কান্দির বাসভবনে ম্যারাথন তল্লাশি

২২মে ২০২৬- সম্প্রতি কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার শান্তনু সিন্হা বিশ্বাসের মুর্শিদাবাদের কান্দির পৈতৃক বাড়িতে তল্লাশি চালাতে যায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। তদন্তকারী আধিকারিকরা বাড়িতে ঢুকতে গিয়ে দেখেন সেটি তালাবন্ধ। তদন্তের স্বার্থে তাঁরা দরজার তালা ভেঙে বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করেন এবং ব্যাপক তল্লাশি অভিযান চালান। ইডির দাবি, কান্দির এই পৈতৃক বাড়িটি সংস্কারের জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ (প্রায় ২১ লক্ষ টাকা) ব্যয় করা হয়েছিল, যার আর্থিক উৎস খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

ইডির অভিযোগ, শান্তনু সিন্হা বিশ্বাস একটি বড়সড় তোলাবাজি এবং জমি দখল চক্রের (Extortion and Land-grabbing syndicate) সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত ছিলেন।


আদালতে ইডির পেশ করা রিপোর্ট অনুযায়ী, এই চক্রটি মূলত ব্যবসায়ী জয় কামদার এবং ওয়ান্টেড দুষ্কৃতী ‘সোনা পাপ্পু’ (বিশ্বজিৎ পোদ্দার)-র সঙ্গে মিলে একটি “ত্রিশূল”-এর মতো কাজ করত। ব্যবসায়ী জয় কামদার জমি কেনার নামে চুক্তি করে পরে পিছিয়ে আসত, সোনা পাপ্পুর মতো দুষ্কৃতীরা জমির মালিকদের হুমকি দিত এবং পুলিশ কর্তা শান্তনু সিন্হা বিশ্বাস তাঁর প্রভাব ও ক্ষমতা খাটিয়ে বিক্রেতাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করতেন বা ভুয়ো FIR-এর ভয় দেখাতেন।
জমি দুর্নীতির পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপ (Money Laundering) এবং বালি পাচার মামলাতেও যুক্ত থাকার অভিযোগ তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

ম্যারাথন জেরা ও গ্রেফতার: এর আগে একাধিকবার ইডির সমন এড়িয়েছিলেন শান্তনু সিন্হা বিশ্বাস। এমনকি তাঁর বিরুদ্ধে ‘লুকআউট নোটিস’-ও জারি করা হয়েছিল। অবশেষে ১৪ মে, ২০২৬ তারিখে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে তিনি হাজিরা দিলে, তাঁকে সাড়ে ১০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে ম্যারাথন জেরা করা হয়। বয়ানে একাধিক অসঙ্গতি এবং অসহযোগিতার কারণে ওইদিন রাতেই তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি।


ইডি তাঁকে বিশেষ PMLA আদালতে পেশ করে। বিচারক তাঁকে আগামী ২৮ মে, ২০২৬ পর্যন্ত ১৪ দিনের ইডি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

আরো পড়ুন:  Fire in Train: একের পর এক ট্রেনে অগ্নিকাণ্ড! রাজধানীর পর এবার বিহারে ইন্টারসিটি এক্সপ্রেসে আগুন, আতঙ্কে যাত্রীরা

শান্তনু সিন্হা বিশ্বাস এর আগে কালীঘাট এবং হেয়ার স্ট্রিট থানার ওসি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা বিভিন্ন ব্যবসায়িক চুক্তি—যেমন তাঁর স্ত্রীর নামে পাঁচটি মেডিক্যাল কলেজের ক্যান্টিন চালানোর বরাত এবং ছেলেদের সঙ্গে যুক্ত আর্থিক লেনদেন—বর্তমানে ইডির স্ক্যানারে রয়েছে।


জয় কামদারের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া ডায়েরি এবং ডিজিটাল প্রমাণ থেকে শান্তনু সিন্হা বিশ্বাসের সরাসরি যোগসূত্র পাওয়া গিয়েছে বলে ইডির তরফে দাবি করা হয়েছে।

Author

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Demo Ad
Sponsored Links

Most Popular

Recent Comments