Ankita Mondal: নজরদারিতে গাফিলতি হলে ডিজিটাল গ্রেফতারির শিকারদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে ব্যাঙ্ককে, কড়া নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। ডিজিটাল জালিয়াতি নিয়ে এযাবৎ সবচেয়ে বড় রায়।
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও ভি. মোহনার বেঞ্চ জানায়:
“We emphasise that the regulatory measures proposed by the RBI must mandate financial institutions to indemnify victims of digital arrest or cyber fraud through suitable compensation, not less than the amount lost by the customer, where the fraud or crime is found to have resulted from a failure of due diligence by the financial institution.”
অর্থাৎ, যদি তদন্তে প্রমাণিত হয় যে ব্যাঙ্কের নজরদারিতে গাফিলতির জন্যই গ্রাহক প্রতারিত হয়েছেন, তাহলে ব্যাঙ্ককেই অন্তত ততটাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, যত টাকা গ্রাহক হারিয়েছেন।
আদালতে জানানো হয়, সম্প্রতি এক মহিলা ডিজিটাল গ্রেফতারির ফাঁদে পড়ে ২.৫ কোটি টাকা খুইয়েছেন। যদিও সাইবার অপরাধ ৫০% কমেছে বলে দাবি, তবুও এখনও পর্যন্ত গ্রাহকরা ৮০০ কোটি টাকা খুইয়েছেন।
প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, “একজন গ্রাহকের স্বাভাবিক লেনদেনের ইতিহাস থেকে হঠাৎ অস্বাভাবিক বড় লেনদেন হলে ব্যাঙ্ক কেন সঙ্গে সঙ্গে তা ফ্ল্যাগ করে না?”
১. সন্দেহজনক লেনদেন দেখলেই পাশের থানায় জানাতে হবে।
২. গ্রাহকের লেনদেনের প্যাটার্নের বাইরে বড় অঙ্কের টাকা বেরোলে সঙ্গে সঙ্গে তদন্ত করতে হবে।
৩. RBI-কে KYC নিয়ম আরও কড়া করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আদালত হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, “Otherwise, we will enforce it through a judicial order” — অর্থাৎ, ব্যাঙ্ক না মানলে আদালত নিজেই আদেশ দিয়ে তা কার্যকর করবে।
এই রায়ের ফলে ডিজিটাল গ্রেফতারির শিকার হাজার হাজার মানুষ ন্যায়বিচার পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

Recent Comments