‘শ্বাসরুদ্ধ’ দিল্লি! দীপাবলির আগেই রাজধানীর বাতাস বিষাক্ত হয়ে উঠেছে। ২২ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে দূষণের মাত্রা ভয়াবহ। দীপাবলির রাতে পরিস্থিতি কী হতে পারে, তা ভেবেই আতঙ্কে রাজধানীবাসী।
আজ, শনিবার, ৭ নভেম্বর সকাল ৭.৩০টায় কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ (CPCB)-এর তথ্য অনুযায়ী:
- দিল্লির গড় AQI ৩৬৬ — ‘খুব খারাপ’ (Very Poor) ক্যাটাগরিতে। • ৫৯টি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের মধ্যে ২২টিতেই AQI ৪০০ পার — ‘ভয়াবহ’ (Severe) ক্যাটাগরিতে।
IIT দিল্লি: ৪৪০ – ৪৪৩ (সবচেয়ে বেশি) • পাঞ্জাবি বাগ: ৪৩৩
- বিবেক বিহার: ৪২৫
- এছাড়াও রোহিণী, দ্বারকা, নাঙলোই সহ একাধিক এলাকা Severe-তে।
সকালে অক্ষরধাম মন্দির পর্যন্ত ধোঁয়াশার চাদরে ঢেকে গিয়েছিল।
পরিস্থিতি সামাল দিতে দিল্লি-NCR-এ ইতিমধ্যেই GRAP-3 (Graded Response Action Plan – Stage 3) বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। কিন্তু তাতেও AQI কমছে না।
বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, দীপাবলির রাতে আতশবাজি ফাটানো শুরু হলে দূষণের মাত্রা আরও বেড়ে যাবে।
গত শুক্রবারই দিল্লির গড় AQI ছিল ৩৮৯। দীপাবলির রাতে তা ৫০০-র গণ্ডি ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা।
দীপাবলিতে দূষণ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন, দীপাবলির উপহারই বিপদ ডেকে আনছে।
দীপাবলির ঠিক ২ দিন আগে দিল্লির একাধিক মনিটরিং স্টেশন অচল হয়ে গিয়েছিল। ২২টি কেন্দ্রে PM2.5-এর ঘণ্টাভিত্তিক তথ্য পাওয়া যায়নি, ২৭টি কেন্দ্রে PM10-এর তথ্য মেলেনি। IIT দিল্লি প্রায় ২ ঘণ্টা, নাঙলোই ৪ ঘণ্টা, NSIT দ্বারকা ৪ ঘণ্টা অন্ধকারে ছিল।
বাসিন্দাদের জন্য পরামর্শ
- বাইরে বেরোলে N95 মাস্ক ব্যবহার করুন।
- শিশু, বয়স্ক এবং হাঁপানি রোগীরা ঘরে থাকুন।
- দীপাবলিতে গ্রিন ক্র্যাকার ছাড়া অন্য বাজি এড়িয়ে চলুন।


Recent Comments