দিল্লির যন্তর-মন্তরে বিক্ষোভের ঘটনায় ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর ঘটনায় সরব হলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। বুধবার রাহুল গান্ধী তাঁর এক্স পোস্টে লেখেন, যন্তর-মন্তরে তেরঙা উত্তোলন করা কোনও অপরাধ নয়। এর জন্য যুবকদের জেলে পাঠানো কাপুরুষতার পরিচয়। তিনি আরও বলেন, ছাত্র, যুবক, সাংবাদিক এবং ইন্ডিয়া জোটের পতাকা ও ব্যানার আলাদা হলেও তাঁদের উদ্দেশ্য এক। এই সমস্ত বিক্ষোভ সংবিধানস্বীকৃত অধিকারের দাবিতে আন্দোলনরত নাগরিকদের আওয়াজ। যন্তর-মন্তর ভারতের জনগণের জায়গা উল্লেখ করে রাহুলের বক্তব্য, “আমরা তা ফিরিয়ে আনব।”
ঘটনার সূত্রপাত মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভকে ঘিরে। অভিযোগ, গত মঙ্গলবার যন্তর-মন্তরের বন্ধ গেট পেরিয়ে ভিতরে প্রবেশ করেন কয়েকজন বিক্ষোভকারী। সেখানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও স্লোগান দেওয়ার ঘটনায় সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কা-সহ মোট ১৪ জনকে আটক করে দিল্লি পুলিশ।
পুলিশের অভিযোগ, বিক্ষোভকারীরা নির্ধারিত বিধিনিষেধ অমান্য করেন এবং সরকারি কাজে বাধা দেন। বুধবার তাঁদের আদালতে পেশ করা হলে দুই নেতাকে পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
এই ঘটনাকে ঘিরে একদিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার প্রশ্ন, অন্যদিকে গণতান্ত্রিক প্রতিবাদের অধিকার নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। রাহুল গান্ধীর বক্তব্যে সেই রাজনৈতিক বিতর্ক আরও জোরালো হয়েছে।


Recent Comments