back to top
Tuesday, October 13, 2026
Leaderboard Ad Space (728x90) - Responsive
Homeসম্পাদকীয়পেড জার্নালিজম: এক বিতর্কিত অধ্যায়

পেড জার্নালিজম: এক বিতর্কিত অধ্যায়

পেড জার্নালিজম নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। কিন্তু সেভাবে কাগজে-কলমে প্রমাণ কম আসত। পেড জার্নালিজম-এর সংজ্ঞাটাই ধোঁয়াটে। ৫০-৬০ বছর আগে সরকারি দাক্ষিণ্যে যাঁরা জলের দরে ভালো জায়গায় জমি বা ভাড়ার ফ্ল্যাট পেয়েছেন, সেগুলোও পেড জার্নালিজম-এর তালিকাভূক্ত হতে পারে। সাংবাদিকরা অধিকাংশ যে যেরকম সুযোগ পেয়েছেন, তার সদ্ব্যববহার করেছেন। অভিজ্ঞতা সকলেই কমবেশি জানেন।

এবার ভোটের প্রচারে তথাকথিত কিছু সাংবাদিক/প্রতিষ্ঠানকে বিজেপি কত টাকা দিয়েছে, সিলমোহর-সহ সেই তালিকা প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয়েছে অন্য বিতর্ক– ঠিক, বেঠিক নিয়ে। সবটাই নিজস্ব দৃষ্টিকোণ (বাংরেজি পরিহার না করলে ‘ন্যারেটিভ’ কথাটা ব্যবহার করতাম) থেকে।

যেমন, আমার এক নামী বন্ধু লিখেছেন, ”কোন ইনফ্লুয়েন্সার টাকা নেয় না? ঐ ব্যবসাটাই তো টাকার জন্যে।” এক বিখ্যাত ব্যক্তি লিখেছেন, “TMC should disclose how much they have paid in the last 5 years to IPac influencers.” এক বিজেপি নবীন নেতা
কেরলে সিপিএম-এর নির্বাচনী প্রচারের হিসাবের খতিয়ান তুলে দিয়েছেন। আবার, প্রচারে বিজেপির টাকা দেওয়ার বিরোধিতা করেও লিখেছেন অনেকে। একজন আবার নিজের ছবি দিয়ে সামাজিক মাধ্যমের দেওয়ালে লিখছেন, কেন তিনি ‘ইনফ্লুয়েন্সার’ হলেন না!

‘পেড জার্নালিজম’-এর বাংলা কি ‘সাংবাদিকতায় ঘুষ’ বলা যেতে পারে? তাহলে কি ঘুষের যৌক্তিকতা নিয়েও হতে পারে বিতর্ক? আসলে ঠিক-বেঠিক বলে কোনওকালে কিছু নেই। কিছু হতে পারে না।

কাউকে আক্রমণ করার উদ্দেশ্যে এই লেখা নয়।বিষয়টা সংবেদনশীল। তাই সীমিত কিছু জনের মধ্যে দিলাম। ফেসবুকের দিলে কুকথা শুনতে হতে পারে। সুযোগের সদ্ব্যবহার বিষয়টা সর্বকালীন, সর্বব্যাপী। Omnipotent, omnipresent. ব্যতিক্রম ছাড়া প্রায় সব পেশাতেই।
— অ সে। ২৬-৯-২৬।

Author

আরো পড়ুন:  জমে উঠছে দেওয়াললিখনে ভোট
RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Demo Ad
Sponsored Links

Most Popular

Recent Comments