back to top
Sunday, April 12, 2026
Leaderboard Ad Space (728x90) - Responsive
Homeরাজ্য ও রাজনীতিNew Turn in National Politics: জাতীয় রাজনীতিতে নয়া মোড়, ওমর ও সঞ্জয়...

New Turn in National Politics: জাতীয় রাজনীতিতে নয়া মোড়, ওমর ও সঞ্জয় মমতার পাশে, রহস্যজনকভাবে চুপ কংগ্রেস

ভারত (India)-এর রাজনীতিতে বিরোধী জোটের সমীকরণ প্রতিদিন যেন এক নতুন রূপ নিচ্ছে। নয়া দিল্লি (New Delhi) থেকে শুরু করে কলকাতা (Kolkata) পর্যন্ত রাজনৈতিক মহলে কান পাতলেই এখন নতুন এক সমীকরণের স্পষ্ট গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনাবলির পর তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress) নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)-এর পাশে অত্যন্ত শক্তভাবে এসে দাঁড়িয়েছেন দুই হেভিওয়েট সর্বভারতীয় নেতা। এঁরা হলেন ন্যাশনাল কনফারেন্স (National Conference) নেতা ওমর আবদুল্লা (Omar Abdullah) এবং শিবসেনা (Shiv Sena) সাংসদ সঞ্জয় রাউত (Sanjay Raut)। কিন্তু রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের সবচেয়ে বেশি অবাক করছে দেশের অন্যতম প্রাচীন দল কংগ্রেস (Congress)-এর রহস্যজনক নীরবতা।

আঞ্চলিক নেতাদের জোরালো সমর্থন

শ্রীনগর (Srinagar) থেকে ওমর স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন যে, যেভাবে কেন্দ্রীয় সরকার এবং শাসক দল অবিজেপি রাজ্যগুলিকে নিশানা করছে, তার বিরুদ্ধে তৃণমূল নেত্রীর নিরলস লড়াই সত্যিই প্রশংসনীয়। তিনি মনে করেন, বিরোধী জোটের অন্যতম শক্তিশালী মুখ হিসেবে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর পাশে এই মুহূর্তে সকল বিজেপি-বিরোধী শক্তির দাঁড়ানো উচিত। ওমরের এই বক্তব্য জাতীয় স্তরে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে, কারণ এটি আঞ্চলিক দলগুলোর মধ্যে এক গভীর বোঝাপড়ার ইঙ্গিত দেয়।

অন্যদিকে, মুম্বই (Mumbai) থেকে উদ্ধব ঠাকরে গোষ্ঠীর অন্যতম প্রধান মুখ সঞ্জয়ও সুর চড়িয়েছেন। তিনি তাঁর চিরাচরিত আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, বাংলার শাসক দলের নেত্রীর সঙ্গে তাঁদের দলের আদর্শগত কিছু সামান্য পার্থক্য থাকলেও, তাঁর রাজনৈতিক লড়াইয়ের প্রতি তাঁদের পূর্ণ সমর্থন ও সম্মান রয়েছে। সঞ্জয় বারবার মনে করিয়ে দিয়েছেন, রাজ্যে রাজ্যে আঞ্চলিক দলগুলিকে দুর্বল করার যে চেষ্টা চলছে, তার বিরুদ্ধে একজোট হয়ে লড়াই করা ছাড়া বিরোধীদের কাছে অন্য কোনও বিকল্প নেই।

হাত শিবিরের নীরবতার নেপথ্যে কী?

এত কিছুর পরেও হাত শিবিরের এই অদ্ভুত নিশ্চুপ থাকা নিয়ে জাতীয় স্তরে ব্যাপক জল্পনা শুরু হয়েছে। নিউজস্কোপ বাংলার রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাজ্যের নিরিখে তৃণমূলের সঙ্গে তাদের যে দীর্ঘস্থায়ী দ্বন্দ্ব রয়েছে, সেই কারণেই দলের শীর্ষ নেতৃত্ব এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাইছেন না। প্রদেশ স্তরের নেতাদের তীব্র আপত্তির কারণেই হাইকমান্ড এই ইস্যুতে নিজেদের গুটিয়ে রেখেছে বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলার মাটিতে বামেদের সঙ্গে তাদের সখ্যতা এবং শাসকদলের প্রতি তীব্র বিরোধিতার কারণে রাজ্য নেতাদের চাপে শীর্ষ নেতৃত্ব একপ্রকার কোণঠাসা।

আরো পড়ুন:  Assembly Election 2026: ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন: প্রকাশ পেল বিজেপির চতুর্থ প্রার্থী তালিকা

যদি তারা তৃণমূল নেত্রীর পক্ষে জোরালো সওয়াল করে, তবে রাজ্য স্তরে দলের নেতা-কর্মীদের মনোবল ভেঙে যাওয়ার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে। আবার উল্টোদিকে, জাতীয় স্তরে বিরোধী ঐক্য বজায় রাখতে গেলে বাংলার শাসকদলের মতো একটি বড় শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক সম্পূর্ণ ছিন্ন করাও তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। এই শাঁখের করাতে পড়েই তারা নীরব থাকার সবচেয়ে নিরাপদ পথটি বেছে নিয়েছে।

আগামীর সমীকরণ কোন পথে?

জাতীয় স্তরে বিরোধী মঞ্চ বা ‘ইন্ডিয়া’ জোটের মধ্যে এই ঘটনাপ্রবাহ এক নতুন মেরুকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। আঞ্চলিক দলগুলোর মধ্যে এই যে বোঝাপড়া বা পারস্পরিক সলিডারিটি তৈরি হচ্ছে, তা হাত শিবিরের জন্য এক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে আগামী দিনে। কারণ, বিরোধী জোটের নেতৃত্ব কার হাতে থাকবে বা আগামী দিনে আন্দোলনের মূল রূপরেখা কী হবে, তা নিয়ে শরিকদের মধ্যেই মতপার্থক্য ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে।

Author

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Demo Ad
Sponsored Links

Most Popular

Recent Comments