শনিবার সুকুমারবাবু বলেন, “
১) কোনও রাজনৈতিক দল সম্পত্তির অধিকারকে মৌলিক ও নিরঙ্কুশ করতে চায় না। তারা আইনি ও বেআইনি পথে সম্পত্তির অধিকারে হস্তক্ষেপ করে।
২) পুরকর আইনের পরিবর্তন করে বাড়িওয়ালাদের ঘাড়ে বোঝা চাপানো হয়েছে। বাম আমলে যা শুরু হয়েছিল, তৃণমূল আমলে তা হুবহু অনুসরণ করা হচ্ছে। এই করব্যবস্থা ‘প্রোগ্রেসিভ’ নয়, ‘রিগ্রেসিভ’ ও একপেশে। বিজেপি শাসিত রাজ্যেও এই একই ধরনের কাণ্ড হচ্ছে।
৩) বাহুবলী বহিরাগতরা বিধবার সম্পত্তি কেড়ে নিচ্ছে। গোটা কলকাতা জুড়ে চলছে এই তান্ডব। পুলিশ ও পুরপ্রশাসন তাদের ন্যায্য ভূমিকা পালনে ব্যর্থ।
৪) আদালতগুলিতে দীর্ঘসূত্রতা বিচার পাওয়ার অন্তরায়। সব সরকারই হাত পা গুটিয়ে বসে আছে।
৫) বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ভাড়ার হার পরিবর্তনে সবার আপত্তি।
৬) বস্তাপচা রেন্ট কন্ট্রোল ব্যবস্থা টিঁকিয়ে রেখে বাড়িওয়ালার কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হচ্ছে।
৭) পুলিশ – প্রোমোটার- সিন্ডিকেট – রাজনৈতিক নেতাদের চক্র নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনিক স্তরে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
তাই, প্রতিবাদ স্বরূপ তাঁরা নোটা ভোটকেই আশ্রয় করতে চান।”
Assembly Election 2026: কলকাতা বাড়িওয়ালা সমিতির সদস্যদের ৭টি নির্দিষ্ট কারণে ‘নোটা’-তে (None of the Above) ভোট দিতে অনুরোধ করলেন সংগঠনের সম্পাদক সুকুমার রক্ষিত
RELATED ARTICLES


Recent Comments