back to top
Sunday, April 12, 2026
Leaderboard Ad Space (728x90) - Responsive
Homeরাজ্য ও রাজনীতিAssembly Election 2026: উত্তরবঙ্গে সভা থেকে এনআরসি-এসআইআর ইস্যুতে তীব্র আক্রমণ, সম্প্রীতির বার্তা...

Assembly Election 2026: উত্তরবঙ্গে সভা থেকে এনআরসি-এসআইআর ইস্যুতে তীব্র আক্রমণ, সম্প্রীতির বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

নিজস্ব সংবাদদাতা: উত্তরবঙ্গের একাধিক জনসভা থেকে কেন্দ্র ও বিরোধীদের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ময়নাগুড়ি, ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি এবং নকশালবাড়ির সভামঞ্চ থেকে তিনি অভিযোগ করেন, এসআইআর ও এনআরসি-র নামে সাধারণ মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে।

মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, রাজবংশী ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষদের লক্ষ্য করে নোটিস পাঠিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। এমনকি ৮৫ বছরের বৃদ্ধাদেরও লাইনে দাঁড় করানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর আশঙ্কা, এর পরবর্তী ধাপে এনআরসি চালু করে মানুষকে ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠানোর চেষ্টা হতে পারে। তবে তিনি দৃঢ় সুরে জানান, “আমি থাকতে কাউকে ডিটেনশন ক্যাম্পে যেতে দেব না, আমার পরের প্রজন্মও এর বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাবে।”

ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিভ্রাট নিয়েও নির্বাচন কমিশনকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন তিনি। অভিযোগ করেন, কমিশনের ওয়েবসাইটে হঠাৎ করেই বহু মানুষের নাম ‘বিবেচনাধীন’ দেখানো হয়েছে। এমনকি নিজের নাম নিয়েও বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ায় তিনি প্রশ্ন তোলেন, এটি প্রযুক্তিগত ত্রুটি নাকি পরিকল্পিত চক্রান্ত—তা স্পষ্ট করতে হবে।

মমতা আরও দাবি করেন, প্রায় আট লক্ষ মানুষের নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা রয়েছে এবং ইচ্ছাকৃতভাবে সম্পূরক তালিকা প্রকাশ করা হচ্ছে না। যাঁদের নাম বাদ যাবে, তাঁদের আইনি লড়াইয়ে সাহায্যের আশ্বাসও দেন তিনি।
এদিন তিনি বাংলাকে ভাগ করার চক্রান্তের অভিযোগও তোলেন। তাঁর কথায়, উত্তরবঙ্গকে আলাদা করার চেষ্টা চলছে, যা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। পাশাপাশি চা-বাগান এলাকা থেকে শুরু করে উত্তরবঙ্গের উন্নয়নের বিভিন্ন প্রকল্পের কথাও তুলে ধরেন তিনি।

রান্নার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি নিয়েও কেন্দ্রকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের জীবনে চাপ বাড়ছে, অথচ সরকার উদাসীন। নির্বাচনের প্রসঙ্গে তিনি বিশেষভাবে মহিলাদের বুথ পাহারার আহ্বান জানান, যাতে কোনও রকম অনিয়ম না হয়।

রামনবমী ও বাসন্তী পুজোকে ঘিরে রাজনীতির সমালোচনা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ভগবান রাম কোনও একটি দলের নয়। বাংলার সংস্কৃতি সব ধর্মকে একসঙ্গে নিয়ে চলার শিক্ষা দেয়। সেই ঐতিহ্য বজায় রাখার ডাক দেন তিনি। ভাষণের শেষে তীব্র রাজনৈতিক বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, “আহত বাঘ আরও ভয়ঙ্কর। আগে বাংলা, তারপর দিল্লি—পরিবর্তন আসবেই।”

আরো পড়ুন:  Assembly Election 2026: মেদিনীপুরে দেওয়াল লিখন ঘিরে বিতর্ক, ধর্মের ভিত্তিতে ভোটের আহ্বানে রাজনৈতিক তরজা

Author

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Demo Ad
Sponsored Links

Most Popular

Recent Comments