back to top
Sunday, April 12, 2026
Leaderboard Ad Space (728x90) - Responsive
Homeবিনোদনউদ্বেগ বাড়ছে সংগীত জগতে! হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি 'সুরসম্রাজ্ঞী' আশা ভোঁসলে

উদ্বেগ বাড়ছে সংগীত জগতে! হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ‘সুরসম্রাজ্ঞী’ আশা ভোঁসলে

দেশের সংগীত জগতের আকাশে দুশ্চিন্তার মেঘ। শনিবার সন্ধ্যায় অসুস্থ হয়ে মুম্বইয়ের (Mumbai) ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে (Breach Candy Hospital) ভর্তি হলেন কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলে (Asha Bhosle)। হাসপাতাল সূত্রে খবর, ৯২ বছর বয়সী এই প্রবাদপ্রতিম শিল্পী হৃদরোগে (Cardiac Arrest) আক্রান্ত হয়েছেন। বর্তমানে তাঁকে হাসপাতালের ইমার্জেন্সি মেডিকেল সার্ভিস ইউনিটে (Emergency Medical Services Unit) রাখা হয়েছে।

শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা নাগাদ তাঁকে হাসপাতালে আনা হয়। হাসপাতালের ট্রাস্টের পক্ষ থেকে তাঁর ভর্তির খবর নিশ্চিত করা হলেও, শারীরিক অবস্থা নিয়ে এখনও পর্যন্ত পরিবারের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে কিছু ঘনিষ্ঠ সূত্রের খবর অনুযায়ী, প্রবীণ এই শিল্পীর অবস্থা কিছুটা সংকটজনক। তাঁর ফুসফুসেও কিছু জটিলতা (Pulmonary complications) দেখা দিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ডক্টর প্রতীত সামদানি (Dr. Pratit Samdani) সহ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি বিশেষ দল তাঁর শারীরিক অবস্থার ওপর কড়া নজর রাখছেন।

অন্যদিকে, আশা তাইয়ের (Asha Tai) নাতনি জনাই ভোঁসলে (Zanai Bhosle) একটি বিবৃতিতে জানিয়েছেন যে, অতিরিক্ত ক্লান্তি এবং বুকের সংক্রমণের (Chest infection) কারণে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বয়সের কথা মাথায় রেখেই চিকিৎসকরা তাঁকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর এই অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়তেই ভারত (India) তো বটেই, সারা বিশ্বের সংগীতপ্রেমীদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। সমাজমাধ্যমে অগণিত অনুরাগী তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছেন। আশা ভোঁসলে (Asha Bhosle) শুধু ভারতের (India) নয়, বিশ্বের সংগীত ইতিহাসের অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র। আট দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি কয়েক হাজার গান গেয়েছেন। ২০১১ সালে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস (Guinness Book of World Records) তাঁকে সংগীত ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি গান রেকর্ড করা শিল্পী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

ও পি নায়ার (O. P. Nayyar) থেকে শুরু করে আর ডি বর্মন (R. D. Burman), কিংবা নব্বইয়ের দশকে এ আর রহমান (A. R. Rahman) — সব প্রজন্মের সুরকারদের সঙ্গেই তিনি কাজ করেছেন। ‘দম মারো দম’ (Dum Maro Dum), ‘চুরা লিয়া হ্যায় তুমনে জো দিল কো’ (Chura Liya Hai Tumne Jo Dil Ko) বা ‘ইন আঁখোঁ কি মস্তি’ (In Aankhon Ki Masti)-র মতো অজস্র কালজয়ী গান তাঁর কণ্ঠেই জীবন্ত হয়ে রয়েছে। সংগীতে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি পেয়েছেন দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার (Dadasaheb Phalke Award) এবং পদ্মবিভূষণের (Padma Vibhushan) মতো সর্বোচ্চ সম্মান। ২০২৬ সালের ৮ সেপ্টেম্বর তাঁর ৯৩ বছরে পা দেওয়ার কথা। সেই বিশেষ দিনের আগেই সুরসম্রাজ্ঞীর এই অসুস্থতা বিনোদন দুনিয়ায় শোকের ছায়া ফেলেছে।

আরো পড়ুন:  Ring Metro:দেশের প্রথম 'রিং মেট্রো'-র উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী, দিল্লির যাতায়াত ব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন

Author

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Demo Ad
Sponsored Links

Most Popular

Recent Comments