back to top
Wednesday, June 10, 2026
Leaderboard Ad Space (728x90) - Responsive
Homeবিনোদনওদের চৈতন্য হোক!

ওদের চৈতন্য হোক!

লেখা: তপোব্রত ঘোষ চিত্র ঋণ :গুগল

সিনেমার নাম:
লহ গৌরাঙ্গের নাম রে

পরিচালনা: সৃজিত মুখোপাধ্যায়

অভিনয়ে:
শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়,ব্রাত্য বসু,দিব্যজ্যোতি দত্ত, ইশা সাহা, ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত।

ইতিহাস ও বাস্তব সময়ের বুনোটে আসল সত্য কি ফুটে উঠলো?
একই সঙ্গে তিনধারার গল্প সাজিয়ে তুলে প্রকাশ করলেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়। চৈতন্য বাঙালির সেই যুগপুরুষ তাঁর অন্তর্ধান আজও বাঙালির মনে প্রশ্ন জাগায়, সেই বৃহত্তর আবেগকে কাজে লাগিয়ে গল্প তৈরীর নিছক চেষ্টা কতটা দর্শকের আবেগে ভাঁটা তৈরি করেছে তা ভাবতে গেলে সিনেমার গভীরে যেতে হয়।
আসলে চৈতন্য জীবনে কোন প্রামান্য নিদর্শন না থাকার কারণে তার জীবনের শেষটুকু প্রায়ই অধরা থেকে যায়,সাধারণ মানুষের কাছে। এই দিব্য পুরুষের কি মৃত্যু হল নাকি তাকে হত্যা করা হয়েছিল সেই ভাবনা আজও বাঙালি তথা দেশের মানুষকে চিন্তিত করে। তাই সেই চিন্তাকে প্রশমিত করার জন্য ‘লহ গৌরাঙ্গের নাম রে’ -র অবতারণা।
কৃষ্ণ ভাবে বিভোর হয়ে চৈতন্যদেব পুরীর গর্ভ গৃহে কিভাবে বিলীন হয়ে গেলেন সেই গল্প এক দিকে থেকে ফুটে উঠেছে।অন্যদিকে সিনেমার ডিরেক্টর (ইশা সাহা )ও হিরোর (ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত) র প্রেমের সঙ্গে গল্প গিয়ে পৌঁছেছে উনিশ শতকে। যেখানে দেখা গিয়েছে গিরিশ ঘোষ ও বিনোদিনীর জীবনের প্রেক্ষিতে চৈতন্য লীলার গুরুত্ব।
এই তিন ধারার গল্প দেখানোর চেষ্টা হলেও গল্পের মাঝে মাঝে ট্রানজিশনগুলো সিনেমা দেখার আনন্দকে মাটি করেছে বারবার।
চৈতন্য জীবনের সঙ্গে বাস্তব জীবনের চরিত্রহীনতা ব্যভিচারীতা তেমনভাবে যেতে পারে না। ফলে ঘটনা অনেকটাই অমানানসই হয়েছে।
শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়, দিব্যজ্যোতি দত্ত, ও ব্রাত্য বসুর অভিনয় প্রশংসার দাবি রাখে। চৈতন্যের জীবনের গভীর আবেগঘন মুহূর্ত গুলি খুব সুন্দর ভাবে ফুটিয়েছেন শুভশ্রী, দিব্যজ্যোতি ধীরে ধীরে ফুটিয়ে তুলেছেন চৈতন্য জীবনের সূচনা লগ্ন টি। নাট্যগুরু গিরিশ চন্দ্র ঘোষ এর চরিত্রে ব্রাত্য বসু অভিনয় দক্ষতা ও শিল্পগুণ প্রশংসার দাবি রাখে।

নেপথ্য কন্ঠে অরিজিৎ সিং ও জয়তী চক্রবর্তীর অবদান খুবই প্রশংসার যোগ্য। তাদের কন্ঠে গাওয়া গানগুলি দর্শকদের হৃদয়ে দীর্ঘকালীন একটি ছাপ তৈরি করবে বলে আশা করা যায়।
তবে বেশ কিছু সময় স্ক্রিনে ভেসে ওঠা একটা নস্টালজিক ফিল্টার। সিনেমাটি দেখার ক্ষেত্রে বিরক্তি সৃষ্টি করেছেন। পরিষ্কার ইমেজ কোয়ালিটি না হলে দর্শকদের আগ্রহ তেমন পাওয়া যায় না। এক্ষেত্রে তার ব্যত্যয় হয়নি।

আরো পড়ুন:  রবিবার সেতারের সুরে ভাসবে তিলোত্তমা, নেতাজি ইন্ডোরে অনুষ্কা শঙ্করের সঙ্গীতযাপন, মঞ্চে থাকতে পারে অরিজিতের চমকও !

পোশাক পরিচ্ছদ সময়োপযোগী এবং মার্জিত। তবে বেশ কিছু সময় কিছু চটুল দৃশ্য,সিনেমার মধ্যে থাকা ভক্তিভাবকে বিনষ্ট করেছে।
শীতের এই হালকা আমেজে, সময় কাটাতে দেখে আসুন সিনেমাটি।

অভিনয় ৪/৫
পোশাক ৩/৫
কাস্টিং ৫/৫
কাহিনী ও চিত্রনাট্য ৩/৫

Author

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Demo Ad
Sponsored Links

Most Popular

Recent Comments