back to top
Wednesday, August 26, 2026
Leaderboard Ad Space (728x90) - Responsive
Homeবিবিধমন্দিরের পবিত্রতা রক্ষায় শুদ্ধিকরণ কর্মসূচি, কঙ্কালীতলায় রাজনীতি না করার বার্তা

মন্দিরের পবিত্রতা রক্ষায় শুদ্ধিকরণ কর্মসূচি, কঙ্কালীতলায় রাজনীতি না করার বার্তা

নিজস্ব সংবাদদাতা : রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে এবার বীরভূমের শক্তিপীঠ কঙ্কালীতলা মন্দির-কে ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে বিতর্ক ও আলোচনা। সম্প্রতি মন্দিরে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ এবং ধর্মীয় পরিবেশ বজায় রাখার দাবিকে কেন্দ্র করে জেলার বিভিন্ন প্রান্তে দেখা গিয়েছে একাধিক পদক্ষেপ। এরই মধ্যে মঙ্গলবার কঙ্কালীতলায় স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হল বিশেষ শুদ্ধিকরণ কর্মসূচি।

ভোর থেকেই মন্দির চত্বরে ভক্ত ও স্থানীয়দের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। গঙ্গাজল দিয়ে মন্দির প্রাঙ্গণ শুদ্ধ করার পাশাপাশি আয়োজন করা হয় বিশেষ পুজো, হোম-যজ্ঞ ও ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানের। শুধু কঙ্কালীতলা নয়, এদিন এলাকার কাশীশ্বর মহাদেব মন্দির, রুরু ভৈরব মন্দির, বজরংবালি মন্দির, ষষ্ঠীমাতা মন্দির এবং জগন্নাথ মন্দির-এও বিশেষ পূজার্চনা ও অভিষেকের আয়োজন করা হয়। মন্ত্রোচ্চারণ, ধূপ-ধুনো ও ধর্মীয় আবহে মুখর হয়ে ওঠে গোটা এলাকা।

উল্লেখ্য, এর আগে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের একাংশের তরফে হিন্দু ধর্মাবলম্বী ছাড়া অন্য ধর্মের মানুষের মন্দিরে প্রবেশ নিষিদ্ধ করার দাবি উঠেছিল। পরে লাভপুরের ফুল্লরাতলা মন্দির ও লক্ষ্মী মন্দির, পাশাপাশি নানুরের বিশালাক্ষী মন্দির এবং রক্ষাকালী মন্দিরেও প্রবেশ সংক্রান্ত ব্যানার টাঙানো হয় বলে জানা যায়। সেইসব জায়গাতেও শুদ্ধিকরণ কর্মসূচি পালিত হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে খবর।

কঙ্কালীতলা মন্দিরের সেবাইত গৌতম চৌধুরী জানান, স্থানীয় মানুষদের সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে মন্দির প্রাঙ্গণে কোনও রাজনৈতিক প্রভাব বা কার্যকলাপ বরদাস্ত করা হবে না। তিনি বলেন, “গঙ্গার সঙ্গমের জল এনে মায়ের মন্দির-সহ সমস্ত মন্দিরে অভিষেক করা হয়েছে। সারা বাংলা ও বিশ্বের মানুষের মঙ্গল কামনায় বিশেষ পুজো, হোম-যজ্ঞ এবং ভাণ্ডারার আয়োজন করা হয়।”

স্থানীয়দের একাংশের বক্তব্য, কঙ্কালীতলা একটি পবিত্র তীর্থস্থান। তাই মন্দিরের পরিবেশ যেন শুধুমাত্র ধর্মীয় আবহেই সীমাবদ্ধ থাকে এবং সেখানে রাজনৈতিক রং না লাগে, সেই দাবিই তাঁরা তুলে ধরেছেন।

তবে এদিনের অনুষ্ঠানে স্থানীয়দের পাশাপাশি বিজেপির একাধিক কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতিও লক্ষ্য করা যায়। বিজেপির মণ্ডল সভাপতি বিধান মাল বলেন, “আমরা কঙ্কালীতলায় কোনও রাজনীতি চাই না। অতীতে যা হয়েছে, তা যেন আর না ঘটে। সনাতনী মানুষদের কাছে আমাদের আবেদন, তাঁরা মায়ের মন্দিরে এসে পুজো দিন। এখানকার পরিবেশ ধর্মীয় ভাবনাতেই থাকুক।”

আরো পড়ুন:  চিত্তরঞ্জন দাসের প্রয়াণের শতবর্ষ পূর্তিতে উত্তরবঙ্গে দুটি পৃথক অনুষ্ঠান

Author

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Demo Ad
Sponsored Links

Most Popular

Recent Comments