back to top
Tuesday, October 13, 2026
Leaderboard Ad Space (728x90) - Responsive
Homeরাজ্য ও রাজনীতিমাত্র ৪ সদস্যের বিজেপির চমক! বিক্ষুব্ধ তৃণমূলের সমর্থনে মালদা জেলা পরিষদের সভাধিপতি-সহাধিপতি

মাত্র ৪ সদস্যের বিজেপির চমক! বিক্ষুব্ধ তৃণমূলের সমর্থনে মালদা জেলা পরিষদের সভাধিপতি-সহাধিপতি


মাত্র চারজন নিজস্ব সদস্য নিয়েই মালদা জেলা পরিষদে বড়সড় রাজনৈতিক চমক দিল বিজেপি। বিক্ষুব্ধ তৃণমূল শিবিরের জেলা পরিষদ সদস্যদের সমর্থন নিয়ে মঙ্গলবার মালদা জেলা পরিষদের সভাধিপতি এবং সহকারী সভাধিপতি পদে নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে বসাল গেরুয়া শিবির। নতুন সভাধিপতি হলেন হবিবপুর বিধানসভা এলাকার বিজেপির জেলা পরিষদ সদস্য দীপালি বালা। আর সহকারী সভাধিপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন প্রাক্তন সভাধিপতি তথা বর্তমানে বিক্ষুব্ধ তৃণমূল শিবিরের জেলা পরিষদ সদস্য লিপিকা বর্মণ ঘোষ।

মালদা জেলা পরিষদে মোট আসন ৪৩টি। নিয়ম অনুযায়ী সভাধিপতি এবং সহকারী সভাধিপতি গঠনের জন্য প্রয়োজন ছিল অন্তত ২২ জন সদস্যের সমর্থন। সেখানে বিজেপির নিজস্ব জেলা পরিষদ সদস্য সংখ্যা মাত্র চারজন। কিন্তু বিক্ষুব্ধ তৃণমূল শিবিরের একাধিক সদস্যের সমর্থন নিয়ে বিজেপির পক্ষে মোট ২৪ জন সদস্যের সমর্থন তৈরি হয়। সেই সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরেই মঙ্গলবার জেলা পরিষদের শীর্ষ দুই পদে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করল বিজেপি।

সভাধিপতি ও সহকারী সভাধিপতি নির্বাচনের আগে থেকেই মালদায় রাজনৈতিক তৎপরতা ছিল তুঙ্গে। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ সাহাপুরের একটি হোটেল থেকে ২৪ জন জেলা পরিষদ সদস্য একসঙ্গে বেরিয়ে জেলা পরিষদের উদ্দেশে রওনা দেন। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু, বিজেপি বিধায়ক গোপাল চন্দ্র সাহা এবং বিজেপির উত্তর মালদা সাংগঠনিক জেলার সভাপতি প্রতাপ সিং। একাধিক গাড়িতে করে সদস্যদের নিয়ে জেলা পরিষদের উদ্দেশে রওনা দেয় বিজেপি নেতৃত্ব।

উল্লেখ্য, এই ২৪ জন সদস্যের মধ্যে বিজেপির নিজস্ব সদস্য মাত্র চারজন। বাকি সদস্যরা বিক্ষুব্ধ তৃণমূল শিবিরের বলে দাবি করা হয়েছে। তাঁদের সমর্থনেই প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে জেলা পরিষদের সভাধিপতি এবং সহকারী সভাধিপতি গঠন করে বিজেপি।

নতুন সভাধিপতি দীপালি বালা হবিবপুর বিধানসভা এলাকার বিজেপির জেলা পরিষদ সদস্য। অন্যদিকে, সহকারী সভাধিপতি হিসেবে নির্বাচিত লিপিকা বর্মণ ঘোষ এর আগে জেলা পরিষদের সভাধিপতির দায়িত্বে ছিলেন। বর্তমানে তিনি বিক্ষুব্ধ তৃণমূল শিবিরের জেলা পরিষদ সদস্য হিসেবে রয়েছেন। ফলে বিজেপির মাত্র চারজন নিজস্ব সদস্য থাকা সত্ত্বেও বিক্ষুব্ধ তৃণমূল সদস্যদের সমর্থন নিয়ে জেলা পরিষদের শীর্ষ দুই পদ দখল করার ঘটনা মালদার রাজনীতিতে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

আরো পড়ুন:  প্রচার শেষ, জয়ের আশায় আবির ও ডিজের প্রস্তুতির ডাক অভিষেকের

সব মিলিয়ে, ৪৩ আসনের মালদা জেলা পরিষদে প্রয়োজনীয় ২২ জনের জায়গায় ২৪ জন সদস্যের সমর্থন নিয়ে সভাধিপতি ও সহকারী সভাধিপতি গঠন করল বিজেপি। আর এই সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিলেন বিক্ষুব্ধ তৃণমূল শিবিরের জেলা পরিষদ সদস্যরা।

Author

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Demo Ad
Sponsored Links

Most Popular

Recent Comments