back to top
Tuesday, May 12, 2026
Leaderboard Ad Space (728x90) - Responsive
Homeরাজ্য ও রাজনীতিChandranath Murder case: নৃশংস হত্যাকান্ডের পর চক্ষু চড়কগাছ পুরনো বহু গাড়ি বিক্রেতার

Chandranath Murder case: নৃশংস হত্যাকান্ডের পর চক্ষু চড়কগাছ পুরনো বহু গাড়ি বিক্রেতার

অশোক সেনগুপ্ত

শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ককে খুনের ঘটনায় ব্যবহৃত শিলিগুড়ির একটি গাড়ি ও বাইকের নম্বরপ্লেট নিয়ে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। এতে চক্ষু চড়কগাছ বহু পুরনো গাড়িবিক্রেতার।

গত কয়েকবছরে অনেকটাই বেড়েছে পুরনো গাড়ির কেনাবেচা। অধিকাংশ গাড়ির বিক্রেতা জানেন না, পুরনো গাড়িটা কে, কী উদ্দেশে ব্যবহার করছেন। কিন্তু অনেক সময় আচমকা ওই গাড়ির বিক্রেতা সঙ্কটে পড়ে যাচ্ছেন। খাতায় কলমে পুরনো গাড়ির মালিকানা বদল না হওয়াতে এই সমস্যা। সেই গাড়ি অপরাধমূলক কাজে ব্যবহৃত হওয়ায় তার কোপ এসে পড়ছে গাড়ির বিক্রেতার ওপর।

পরিবহণ দফতরের এক আধিকারিক জানান, গাড়ি কেনাবেচার সময় খুব সতর্ক কিছু পদক্ষেপ করা দরকার। কে, কী দামে কিনছেন, তার প্রমাণ এবং সরকারি নথিতে ওই হাতবদল নানা কারণে হয় না। তাই ভবিষ্যতে কিছু পুরনো মালিক সমস্যায় পড়েন। গাড়ি বিক্রির সময় সেটির মালিকানার নামবদলের কাগজ দ্রুত বিক্রেতাকে দেওয়া উচিত।

বাঁকুড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মেদিনীপুরবাসী নবীন শিক্ষক সৌমেন্দু দে একটা গাড়ি বিক্রি করে দেওয়ার পর সেটি নিয়ে সমাজবিরোধী কাজ হয়। অনেক সমস্যা পোহাতে হয় তাঁকে। 2004 সালের গাড়ির মডেল ছিল ‘মারুতি জেন’। এই প্রতিবেদককে তিনি জানান, “২০২২ সালে তিনি দাঁতনের এক ব্যক্তিকে গাড়িটি ‘বাতিল গাড়ি’ হিসেবে (গাড়িটি কাটাই হবে, রাস্তায় চলবে না) বিক্রি করেছিলাম। মোটর ভেহিকেলস এর নিয়ম অনুযায়ী এবং ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্প পেপারে এগ্রিমেন্ট এর মাধ্যমে গাড়িটি বিক্রি করেছিলাম।”

তাঁর কথায়, “ঝাড়গ্রাম জেলার নয়াগ্রাম থানার এক পরিচিত পুলিশ অফিসার আমাকে জানালেন, গাড়িটি মাঝে মাঝে নয়াগ্রামের রাস্তায় চলতে দেখা যায়। উনারা গাড়ির নাম্বার খোঁজ করে আমার খোঁজ পেয়ে ফোন করে সবকিছু জানতে চান। কারণ গাড়িটির রেজিস্ট্রেশন এবং বিমার মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গিয়েছিল। পুলিশ জানায়, এই ধরনের গাড়ি বিভিন্ন সমাজ বিরোধী কাজে অনেকে ব্যবহার করতে পারে।”

বিষয়টি সৌমেন্দুবাবু বেলদার SDPO কে জানান। উনার মারফতে দাঁতন থানার IC সঙ্গে যোগাযোগ করার পরে ওঁদের মাধ্যমে গাড়িটি সৌমেন্দুবাবু পুনরায় ফেরত পান। বর্তমানে গাড়িটি তাঁর হেফাজতে আছে।

আরো পড়ুন:  “লজ্জা করুন দিদি, মহিলাদের আপনি সুরক্ষা দিতে পারেননি”, মমতাকে কটাক্ষ শাহর

প্রসঙ্গত, শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে খুনের ঘটনায় সন্দেহজনক একটি মোটরবাইক উদ্ধার করা হয়। বাইকটিকে বিমানবন্দরের আড়াই নম্বর গেটের কাছে একটি ভ্যাট থেকে উদ্ধার করে মধ্যমগ্রাম থানার পুলিশ। তদন্তে উঠে আসে, বাইকটির নম্বর প্লেট ভুয়ো। ইঞ্জিন ও চেসিস নম্বর বিকৃত করা। বাইকটি আসানসোলের বার্নপুর এলাকার এক ব্যক্তির। পশ্চিম বর্ধমান RTO থেকে নথিভুক্ত করা গাড়ির রেজিস্ট্রেশন রয়েছে SAIL-এর ইসকো স্টিল প্ল্যান্টের কোয়ার্টারের ঠিকানায়। বিভাসকুমার ভট্টাচার্য নামে এক ব্যক্তির নামে এই বাইক ২০১২ সালের ৪ মে রেজিস্ট্রেশন করা হয়। লাইসেন্সের বৈধতা রয়েছে ২০২৭-এর মে মাস পর্যন্ত। যে ঠিকানায় এই রেজিস্ট্রেশন, সেই ঠিকানায় গিয়ে জানা গিয়েছে বিভাস নামে কেউ সেখানে থাকেন না। সেখানে থাকেন ধরমবীর কুমার। SAIL-এর ইসকো স্টিল প্ল্যান্টে কাজ করেন তিনি। ধরমবীর জানান, বিভাসকুমারের নাম শুনে হতবাক তিনি। ২০১৪ সাল থেকে তিনি এই কোয়ার্টারে থাকেন। এর আগে কেউ এখানে থাকলে তা তিনি জানেন না।

ইতিমধ্যেই চন্দ্রনাথ খুনে আটক করা চার চাকার গাড়ির নম্বর প্লেট নিয়েও একই ঘটনা ঘটেছে। ওই নম্বর প্লেটও ভুয়ো। সেই নম্বরের আসল যে গাড়ি, তার খোঁজ মেলে শিলিগুড়িতে। খোঁজ মিলেছে গাড়ির মালিকেরও। ইতিমধ্যেই পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়েন উইলিয়াম জোসেফ নামে ওই ব্যক্তি।

Author

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Demo Ad
Sponsored Links

Most Popular

Recent Comments