বাংলার মহিলা তথা দেশের মহিলাদের সঙ্গে তৃণমূলের এই প্রতারণা সত্যিই হৃদয়বিদারক।” মহিলা-বিষয়ক বিল পাশে বাধাদান এবং বিরোধিতার অভিযোগে সোমবার সাংবাদিক সম্মেলনে তোপ দাগলেন বিজেপি নেত্রী স্মৃতি ইরানি
।তিনি বলেন, ২০২৩ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কেন্দ্রে নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম বিলটি পাশ করান। সেই উদ্দেশ্য নিয়েই আগামী লোকসভা নির্বাচনে যাতে মহিলা সংরক্ষণ করা সম্ভব হয় সেই জন্য কংগ্রেস, তৃণমূল সহ বিরোধীদের কাছে বিলটি পেশ করা হয়েছিল। আমরা মনে করেছিলাম কোনও রাজনৈতিক দল মহিলাদের সঙ্গে প্রতারণা করার দুঃসাহস দেখাবে না।
কিন্তু আমরা দেখলাম, যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর সাংসদদের নির্দেশ দিয়েছিলেন তাঁরা যেন এই বিলের সহযোগিতা না করে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজে গ্যারান্টি দিয়েছিলেন যাতে রাজ্য গুলির আসন বন্টনের ক্ষেত্রে কোন সমস্যা না হয়। তা সত্ত্বেও তৃণমূলের কোনও সাংসদ এ বিলটি সমর্থন করলেন না।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কথা মত যদি আনুপাতিক হারে পশ্চিমবঙ্গের সিট ৫০ শতাংশ বাড়তো তাহলে পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন এবং পরিকাঠামোর জন্য বরাদ্দও বৃদ্ধি পেত। এর ফলে উপকৃত হতেন রাজ্যের সাধারণ মহিলারা। ভারতের মহিলাদের সঙ্গে প্রতারণার জন্য আজ সমগ্র মহিলারা এর সমালোচনা করছে। তৃণমূলের এই আচরণ, এই প্রতারণা সারা দেশের মহিলারা মনে রাখবেন।
অন্যদিকে, বিজেপি-র রাজ্য সাধারণ সম্পাদিকা শশী অগ্নিহোত্রী সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, “আমাদের রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে একজন মহিলা হয়ে সেভাবে মহিলা সংরক্ষণ বিলটিকে আটকে দিতে চেয়েছেন। বিরোধীরা যেভাবে এটাকে নিজেদের জয় বলে মনে করছে তা অত্যন্ত দুঃখজনক।”
শশী অগ্নিহোত্রী জানান, আজ সমগ্র দেশজুড়ে শুধু ভারতীয় জনতা পার্টির কর্মীরাই নয় সারা দেশের মহিলারা, নারী বিরোধী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের এই আচরণের প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। তিনি বলেন নারী বিরোধী দলগুলোর মুখোশ খুলে গেল।”


Recent Comments