কলকাতা হাইকোর্টে অজয় পাল শর্মার অতি-সক্রিয়তা এবং জাহাঙ্গীর খানের বাড়িতে তল্লাশি নিয়ে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করার চেষ্টা হয়েছিল। তবে আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, নির্বাচন চলাকালীন কমিশনের নিয়োগ করা পর্যবেক্ষকের কাজে এখনই হস্তক্ষেপ করা হবে না। ভোট প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনো অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়নি।
অজয় পাল শর্মা বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী (CRPF) নিয়ে ফলতার বিভিন্ন ‘সুপার সেনসিটিভ’ বুথ এবং গ্রামে গ্রামে রুট মার্চ করছেন। সূত্রের খবর, তিনি স্থানীয় ভোটারদের অভয় দেওয়ার পাশাপাশি আজ বেশ কয়েকজন স্থানীয় নেতার বাড়িতে গিয়েও কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছেন।
তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান ২৮ এপ্রিল এক সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন:”উনি যদি সিংহম হন, আমি তবে পুষ্পা। ঝুকব না (মাথা নত করব না)। উনি আমাদের অঞ্চল সভাপতি ও কর্মীদের বাড়ি গিয়ে ধমকাচ্ছেন। এটা কোনো পুলিশ পর্যবেক্ষকের কাজ হতে পারে না।”
এই ঘটনার পর থেকেই ফলতার বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা অজয় পাল শর্মার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন শুরু করেন। তাঁদের অভিযোগ, উত্তরপ্রদেশের এই আধিকারিক বিজেপির কথাতেই তৃণমূল কর্মীদের মনোবল ভাঙতে চাইছেন। কমিশন সূত্রে জানা গেছে, অজয় পাল শর্মার রিপোর্ট আজ দিল্লির সদর দফতরে পৌঁছেছে। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ফলতার কিছু এলাকায় ভোটারদের কার্ড কেড়ে নেওয়া এবং তাঁদের বুথে যেতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ জমা পড়েছিল। সেই কারণেই এই ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নেওয়া হয়েছে। কমিশন তাঁর পদক্ষেপে আপাতত সন্তুষ্ট।


Recent Comments