সোমবার সন্ধ্যার পর কেওড়াতলা মহাশ্মশানে সম্পন্ন হয় অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের শেষকৃত্য। রাহুলের পরিবারের অনুরোধ মেনে গোটা বিষয়টাই ব্যক্তিগত পরিসরে সারা হয়। ছেলেকে নিয়ে শ্মশানে পৌঁছোন প্রিয়াঙ্কা।
স্বামীর দাহকাজ সম্পূর্ণ হওয়ার পরে বার হন স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা। শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত হয়েছিলেন পাড়া প্রতিবেশী, আত্মীয়-স্বজন থেকে সহকর্মীরা। প্রিয়াঙ্কার পাশে ছিলেন সায়নী ঘোষ, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, অঙ্কুশ হাজরা, কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়, চূর্ণী গঙ্গোপাধ্যায়। শেষ বিদায় জানাতে উপস্থিত হন আর্টিস্ট ফোরামের সদস্যরা। কান্নায় ভেঙে পড়েন সুদীপ্তা চক্রবর্তী।
মহাশ্মশানে ছিল উপচে পড়া ভিড়। তার মাঝেই আটকে যান রাহুলের স্কুলের বন্ধুরা। যতক্ষণে নিরাপত্তাবলয় পেরিয়ে কেওড়তলার ভিতরে ঢোকেন তাঁরা, ততক্ষণে রাহুলকে দাহ করার জন্য নিয়ে চলে যাওয়া হয়।
পদযাত্রা করে রাহুলের শববাহী গাড়ি নিয়ে যাওয়া হয় কেওড়াতলায়। বামপন্থী সমর্থকদের কণ্ঠে ছিল ‘জাগো জাগো সর্বহারা’ গান। পদযাত্রার নেতৃত্বে ছিলেন দীপ্সিতা ধর।
ছিল বামকর্মী সমর্থকদের ভিড়। লাল সেলাম দিতে দিতেই অভিনেতাকে চিরবিদায় জাানো হয়।
প্রসঙ্গত, রবিবার দুর্ঘটনার পরে সোমবার দুপুরে তমলুকে ময়নাতদন্ত শেষ হওয়ার পর
রাহুলকে নিয়ে কলকাতায় রওনা হয় শববাহী গাড়ি। রাহুলের গাড়িচালক, ‘ভোলেবাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকের প্রোডাকশন ম্যানেজার এবং অন্যরা তাঁর দেহ শেষবারের মতো দক্ষিণ কলকাতায়, বিজয়গড়ে তাঁর বাড়িতে নিয়ে যান।


Recent Comments