back to top
Friday, April 17, 2026
Leaderboard Ad Space (728x90) - Responsive
Homeবিবিধশুভেন্দু অধিকারীর ওপর হামলা! বালি বিধানসভায় উত্তেজনা, কমিশনে নালিশ জানাল বিজেপি

শুভেন্দু অধিকারীর ওপর হামলা! বালি বিধানসভায় উত্তেজনা, কমিশনে নালিশ জানাল বিজেপি

বাংলায় ভোট (Election) মানেই কি তবে রক্তপাত আর হিংসা? ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। এবার খোদ বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)-র ওপর হামলার অভিযোগ উঠল। হাওড়া (Howrah) জেলার অন্তর্গত ১৬৯-বালি (Bally) বিধানসভা কেন্দ্রে প্রচার চলাকালীন এই ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি ভারতীয় জনতা পার্টির (Bharatiya Janata Party)। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) দ্বারস্থ হয়েছে পদ্ম শিবির।

​ঠিক কী ঘটেছিল বালিতে?

​বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, গত ১৫ই এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বালি (Bally) বিধানসভা এলাকায় একটি শান্তিপূর্ণ দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। অভিযোগ, সেই সময়ই তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress)-এর কর্মী-সমর্থকরা তাঁদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। বিজেপি নেতৃত্ব জানাচ্ছে, এই আক্রমণ ছিল পূর্বপরিকল্পিত এবং উস্কানিমূলক। শুধুমাত্র মৌখিক গালিগালাজ বা হুমকি নয়, শারীরিক নিগ্রহের শিকার হতে হয়েছে বিজেপি কর্মীদের। গেরুয়া শিবিরের দাবি, ঘটনার সময় পুলিশ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছিল, যা আক্রমণকারীদের আরও সাহসী করে তোলে।

​কমিশনের কাছে বিজেপির ৫ দফা দাবি

​বৃহস্পতিবার, ১৬ই এপ্রিল তারিখে বিজেপির পক্ষ থেকে শিশির বাজোরিয়া (Shishir Bajoria) এবং ডঃ মহেশ শর্মা (Dr. Mahesh Sharma) পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal)-এর মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (CEO) কাছে একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেন। এই অভিযোগে পাঁচটি প্রধান দাবি জানানো হয়েছে:

​১. বালি (Bally) বিধানসভা কেন্দ্রে হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে এফআইআর (FIR) দায়ের করতে হবে।

২. স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে কেন্দ্রীয় বাহিনী (CAPF) মোতায়েন নিশ্চিত করতে হবে।

৩. কর্তব্যরত যে সমস্ত পুলিশ আধিকারিকরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

৪. নির্বাচনী আচরণবিধি (Model Code of Conduct) মেনে প্রতিটি রাজনৈতিক দলের প্রচারের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে হবে।

৫. শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সহ বিজেপির শীর্ষ নেতাদের লক্ষ্য করে যে ক্রমাগত হামলা হচ্ছে, তার জন্য একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে।

আরো পড়ুন:  Assembly Election 2026: একই নামের একাধিক প্রার্থী! ইভিএমে কীভাবে চিনবেন আপনার নেতাকে?

​গণতন্ত্র কি বিপন্ন?

​বিজেপির পক্ষ থেকে জমা দেওয়া চিঠিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, এই ধরণের হিংসাত্মক পরিবেশ অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের অন্তরায়। প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাঁরা জানিয়েছেন, বিরোধীদের প্রচার করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে এবং ভয় ও ত্রাসের পরিবেশ সৃষ্টি করা হচ্ছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, কলকাতায় (Kolkata) এবং পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোতে বিজেপি কর্মীদের ওপর শারীরিক লাঞ্ছনা ও দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর করা হচ্ছে নিয়মিত।

​নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India) এই অভিযোগের ভিত্তিতে কী পদক্ষেপ নেয়, এখন সেটাই দেখার। তবে ভোটের আগে বালি এবং সংলগ্ন হাওড়া (Howrah) এলাকায় উত্তাপ যে কয়েক গুণ বেড়ে গেল, তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। সাধারণ ভোটারদের মনে এখন একটাই প্রশ্ন, কমিশন কি পারবে ভয়হীন ভোটদানের পরিবেশ ফিরিয়ে দিতে?

Author

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Demo Ad
Sponsored Links

Most Popular

Recent Comments