back to top
Tuesday, April 21, 2026
Leaderboard Ad Space (728x90) - Responsive
Homeবিজ্ঞানModern scientific research: গরমের উত্তাপ, ভোটের উত্তাপের আড়ালে আরও এক উত্তাপের নীরব...

Modern scientific research: গরমের উত্তাপ, ভোটের উত্তাপের আড়ালে আরও এক উত্তাপের নীরব আয়োজন

অশোক সেনগুপ্ত

ভারতে আধুনিক বিজ্ঞানচর্চার সূত্রপাত ও বিকাশে বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে বাংলা। সূর্যকুমার গুডিভ চক্রবর্তী (প্রথম ভারতীয় যিনি চিকিৎসাবিজ্ঞানে উচ্চশিক্ষার জন্য ইংল্যান্ডে যান), জগদীশ চন্দ্র বসু, এবং সত্যেন্দ্রনাথ বসুর মতো মনীষীরা এই চর্চাকে বিশ্বমঞ্চে নিয়ে যান। আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায় ১৯০১ সালে বেঙ্গল কেমিক্যালস ও ফার্মাসিউটিক্যালস প্রতিষ্ঠা করে দেশীয় শিল্পায়নে বিজ্ঞানের প্রয়োগ ঘটান। ১৯১৭ সালে স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু এটি প্রতিষ্ঠা করেন, যা আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানচর্চায় মাইলফলক হিসেবে পরিচিত।

তারও আগে, ১৮৫৪ সালে রাজেন্দ্রলাল মিত্রের উদ্যোগে ‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল আর্ট সোসাইটি’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ভারতে কারিগরি ও ব্যবহারিক বিজ্ঞানচর্চার প্রচেষ্টা শুরু হয়। পরবর্তীতে, কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ (১৮৩৫) চিকিৎসা বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। তৈরি হয়েছিল ক্যালকাটা কেমিক্যালস, বিড়লা শিল্প ও কারিগরী সংগ্রহশালা, বিড়লা তারামণ্ডল, ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ সায়েন্স মিউজিয়াম (এনসিএসএম)-নিয়ন্ত্রিত সায়েন্স সিটি-সহ কিছু স্মরণীয় প্রতিষ্ঠান।

১৮৭৬ সালের জানুয়ারিতে ড. মহেন্দ্রলাল সরকার প্রতিষ্ঠা করেন ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য কাল্টিভেশন অফ সায়েন্স এটি ছিল ভারতে বিজ্ঞান গবেষণার প্রথম জাতীয় প্রতিষ্ঠান। নোবেলজয়ী সি ভি রমন থেকে শুরু করে বিশ্ববিশ্রুত বহু বিজ্ঞানীর মেধা ও মননে সমৃদ্ধ হয়েছে বাংলার গবেষণা। বেড়েছে বিজ্ঞানচর্চার ব্যপ্তি। এতে নীরবে সঙ্গ দিয়েছে ১৯৩৫ সালে তৈরি ইন্ডিয়ান সায়েন্স নিউজ অ্যাসোসিয়েশন (ইসনা)। আঁতুরঘরে ইসনা-কে লালনের মূল দায়িত্বে ছিলেন দুই বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী ডঃ মেঘনাদ সাহা ও আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়। ২০২১-এর ১৫ আগস্ট কলকাতা থেকে নিয়মিত প্রকাশিত হয় দুটি দ্বিভাষিক বিজ্ঞান পত্রিকা। নিষ্ঠার সঙ্গে এই প্রকাশনার দায়িত্ব বহন করে চলেছেন ‘ইসনা’-র সহ সভাপতি অগ্রজ, কৃতী সাংবাদিক প্রশান্ত কুমার বসু।

পায়ে পায়ে সেই ‘ইসনা’ পেরিয়ে এলো ৯০ বছর। আর দেড়শ বছর হলো কাল্টিভেশন অফ সায়েন্স-এর। এই বাতাবরণে ‘ধরিত্রী দিবস’ উদযাপন এবং এ শহরের আর এক গর্বের উদ্যোগ ‘পুরনো কলকাতার গল্প’-র কীর্তিকে স্মরণ করতে ২২ এপ্রিল একটি মহতী সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। এটি হবে রাজাবাজার বিজ্ঞান কলেজে (রাসবিহারী প্রাঙ্গণ) আর এন সেন অডিটোরিয়ামে। তাতে প্রধান অতিথি হিসাবে থাকছেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, জাতীয় স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বিজ্ঞানী ডঃ আশুতোষ ঘোষ।

আরো পড়ুন:  ভয়ঙ্কর গরমের সতর্কতা: ৫-৭ ডিগ্রি বাড়বে তাপমাত্রা, দহনজ্বালায় পুড়বে কোন কোন জেলা?

উত্তপ্ত আসন্ন বিধানসভা ভোটের প্রথম দফার ঠিক আগের দিন, বুধবার সন্ধ্যায় বিজ্ঞান কলেজের ওই মহতী সমাবেশের উত্তাপের মাত্রা কতটা, তার বিচারক আপনারাই। উপস্থিত থাকবেন বেশ কিছু জ্ঞানীগুণী এবং গবেষকবৃন্দ।

Author

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Demo Ad
Sponsored Links

Most Popular

Recent Comments