back to top
Tuesday, April 21, 2026
Leaderboard Ad Space (728x90) - Responsive
Homeরাজ্য ও রাজনীতিভোটে কড়া নিরাপত্তা, ১৫২ কেন্দ্রে কুইক রেসপন্স টিম মোতায়েন

ভোটে কড়া নিরাপত্তা, ১৫২ কেন্দ্রে কুইক রেসপন্স টিম মোতায়েন

প্রথম দফার ভোটকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও খামতি রাখতে চাইছে না নির্বাচন কমিশন। বুথ দখল বা অশান্তির আশঙ্কা ঠেকাতে ২৩ এপ্রিলের ভোটের আগে ১৬টি জেলার ১৫২টি বিধানসভা কেন্দ্রে মোতায়েন করা হচ্ছে মোট ২,১৯৩টি ‘কুইক রেসপন্স টিম’ (কিউআরটি)। লক্ষ্য একটাই— কোথাও গোলমালের খবর মিললেই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা।কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিটি কিউআরটি-তে থাকবেন রাজ্য পুলিশের একজন এসআই বা এএসআই পদমর্যাদার আধিকারিক। তাঁর সঙ্গে থাকবেন অন্তত চার থেকে ছ’জন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান। পরিস্থিতির গুরুত্ব অনুযায়ী এই সংখ্যা আরও বাড়ানো হতে পারে।

প্রতিটি দলের গাড়িতে নজরদারির জন্য ক্যামেরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যাতে অভিযানের প্রতিটি মুহূর্ত নথিবদ্ধ থাকে।প্রথম দফায় সবচেয়ে বেশি কিউআরটি মোতায়েন করা হচ্ছে স্পর্শকাতর মুর্শিদাবাদ জেলায়— মোট ২৮৮টি। এর মধ্যে মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলায় ২১৯টি এবং জঙ্গিপুরে ৬৯টি দল কাজ করবে। এরপরেই রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরে ২৫৩টি এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে ২৪৮টি দল। উত্তরবঙ্গে মালদহে ১৫৭টি এবং কোচবিহারে ১৩৩টি কিউআরটি মোতায়েন থাকছে।এছাড়াও বীরভূমে ১৬১টি, বাঁকুড়ায় ১৮০টি এবং পুরুলিয়ায় ১৩৯টি দল প্রস্তুত রাখা হয়েছে। আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় থাকবে ১১৩টি কিউআরটি। জলপাইগুড়িতে ৮৩টি, দক্ষিণ দিনাজপুরে ৭৫টি, আলিপুরদুয়ারে ৭০টি এবং ঝাড়গ্রামে ৬৬টি দল মোতায়েন করা হচ্ছে। পাহাড়ি এলাকাতেও বিশেষ নজর দিচ্ছে কমিশন— দার্জিলিঙে ৫২টি, শিলিগুড়িতে ৩৯টি এবং কালিম্পঙে ১৭টি দল থাকবে সক্রিয়।দ্রুত প্রতিক্রিয়ার স্বার্থে প্রতিটি দলকে সংশ্লিষ্ট বুথের বিস্তারিত নকশা দেওয়া হচ্ছে, যাতে অভিযোগ পেলেই নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছতে কোনও সমস্যা না হয়।

পাশাপাশি সেক্টর অফিস ও কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখে কাজ করবে এই বাহিনী।নিরাপত্তার পাশাপাশি প্রশাসনিক নজরদারিতেও জোর দেওয়া হয়েছে। আট থেকে দশটি বুথ পিছু একটি করে সেক্টর অফিস গড়ে তোলা হচ্ছে। পূর্ব মেদিনীপুরে সবচেয়ে বেশি ৪৩০টি সেক্টর অফিস তৈরি হয়েছে। মুর্শিদাবাদে ৩৯৩টি এবং পশ্চিম মেদিনীপুর ও বাঁকুড়ায় ৩৮০টি করে অফিস থেকে ভোটের দিন নজরদারি চালানো হবে।কমিশনের বক্তব্য, আধুনিক প্রযুক্তি ও দ্রুত পদক্ষেপের মাধ্যমে ভোট প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ অবাধ ও শান্তিপূর্ণ রাখা তাদের প্রধান লক্ষ্য। স্পষ্ট বার্তা— কোনওরকম বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত করা হবে না।

আরো পড়ুন:  সাংবাদিক নিগ্রহ নিয়ে বিতর্ক নেটনাগরিকদের মধ্যে

Author

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Demo Ad
Sponsored Links

Most Popular

Recent Comments