back to top
Thursday, April 23, 2026
Leaderboard Ad Space (728x90) - Responsive
Homeরাজ্য ও রাজনীতিইভিএমে (EVM) তৃণমূলকে ভোট দিলে পড়ছে বিজেপিতে! অভিযোগ উড়িয়ে দিলীপ-শুভেন্দু বললেন,...

ইভিএমে (EVM) তৃণমূলকে ভোট দিলে পড়ছে বিজেপিতে! অভিযোগ উড়িয়ে দিলীপ-শুভেন্দু বললেন, ‘কমিশন ভালো কাজ করছে’

গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় উৎসব হল নির্বাচন। আর সেই উৎসবের আবহে পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal) জুড়ে ফের একবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠল ইভিএম (EVM) বা ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন নিয়ে চরম বিতর্ক। এবার অভিযোগের তির সরাসরি বিরোধী শিবিরের দিকে। শাসক দলের কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি সাধারণ ভোটারদের একাংশ এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলেছেন— ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress) প্রতীকের পাশের বোতাম টিপলে, সেই ভোট নাকি স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলে যাচ্ছে ভারতীয় জনতা পার্টি (Bharatiya Janata Party) বা পদ্মফুল প্রতীকে! এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একাধিক বুথের বাইরে ব্যাপক উত্তেজনা এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে।

থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পর বেশ কয়েকটি বুথ থেকে এমন অভাবনীয় অভিযোগ আসতে শুরু করে। ভোটাররা বুথ থেকে বেরিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন। তাঁদের দাবি, তাঁরা পরিষ্কারভাবে ঘাসফুল চিহ্নে বোতাম চেপেছিলেন, কিন্তু ভিভিপ্যাট (VVPAT) মেশিনে যে চিরকুটটি দেখা গেছে, তাতে পদ্মফুল চিহ্ন জ্বলজ্বল করছিল। এই ঘটনার খবর দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়তেই শাসক দলের স্থানীয় নেতারা বুথের সামনে জড়ো হয়ে তীব্র বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। তাঁদের অভিযোগ, এটি একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র এবং প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার লুট করার মরিয়া চেষ্টা চলছে।

রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত, বিশেষ করে পশ্চিম মেদিনীপুর, কোচবিহার, দুর্গাপুর, আসানসোল, সহ বেশ কয়েকটি কেন্দ্র থেকে বিক্ষিপ্তভাবে এই একই ধরনের অভিযোগ আসতে দেখা গেছে। সাধারণ মানুষ, যাঁরা সকাল থেকে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে এসেছিলেন, তাঁদের অনেকেই হতাশ হয়ে পড়েছেন। এক প্রবীণ ভোটারের কথায়, “আমি যাকে ভোট দিতে চাই, সে ভোট যদি অন্য কারও খাতায় চলে যায়, তাহলে এই রোদে পুড়ে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দেওয়ার আর কোনো অর্থই থাকে না।” এই হতাশা এবং ক্ষোভ ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ছে বিভিন্ন এলাকায়।তবে এই গুরুতর অভিযোগকে সম্পূর্ণভাবে নস্যাৎ করে দিয়েছে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। দলের অন্যতম শীর্ষ নেতা এবং প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) এই প্রসঙ্গে অত্যন্ত কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন।

আরো পড়ুন:  প্রকাশিত হলো বিজেপি-র ‘যুবশক্তি ভরসা কার্ড’

তিনি বলেন, শাসক দল খুব ভালোভাবে বুঝতে পেরেছে যে এবার তাদের পায়ের তলা থেকে মাটি সরে যাচ্ছে। পরাজয় নিশ্চিত জেনেই তারা এখন ভোটিং মেশিন এবং নির্বাচন কমিশন (Election Commission)-এর ঘাড়ে দোষ চাপানোর পুরোনো কৌশল অবলম্বন করেছে। তাঁর মতে, মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে পরিবর্তনের পক্ষে ভোট দিচ্ছে, আর সেটাই শাসক শিবিরের প্রধান মাথাব্যথার কারণ।

একই সুরে সুর মিলিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, “কোথাও কোনো কারচুপি হয়নি। হারার ভয়ে শাসক দল এখন আবোলতাবোল বকছে। কমিশন অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে এবং কড়া হাতে ভোট পরিচালনা করছে।” তিনি আরও যোগ করেন, “কমিশন ভীষণ ভালো কাজ করছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নজরদারিতে মানুষ নির্ভয়ে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারছেন বলেই শাসক দলের নেতাদের এত গাত্রদাহ শুরু হয়েছে।”

Author

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Demo Ad
Sponsored Links

Most Popular

Recent Comments