back to top
Sunday, April 12, 2026
Leaderboard Ad Space (728x90) - Responsive
Homeরাজ্য ও রাজনীতিভোটের আগে শেষ বাজেটে (budget) জনমুখী ঘোষণা, বাড়ল লক্ষ্মীর ভান্ডার, ডিএ ও...

ভোটের আগে শেষ বাজেটে (budget) জনমুখী ঘোষণা, বাড়ল লক্ষ্মীর ভান্ডার, ডিএ ও একাধিক ভাতা

বিধানসভা নির্বাচনের আগে অন্তর্বর্তীকালীন বাজেটে একাধিক জনমুখী ঘোষণা করলেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে সাধারণ শ্রেণির মহিলাদের মাসিক ভাতা ১,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১,৫০০ টাকা এবং তফশিলি জাতি ও উপজাতি মহিলাদের জন্য ১,২০০ টাকা থেকে ১,৭০০ টাকা করা হয়েছে। চলতি ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই নতুন হারে ভাতা কার্যকর হবে বলেই জানানো হয়েছে।

রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য চার শতাংশ ডিএ বাড়ানোর ঘোষণা করা হয়েছে, যা ২০২৬ সালের ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে। পাশাপাশি অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, আশা কর্মী, পার্শ্ব-শিক্ষক, সিভিক ভলান্টিয়ার ও গ্রিন পুলিশের মাসিক ভাতা ১,০০০ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। আশাকর্মীদের জন্য ১৮০ দিনের মাতৃত্বকালীন ছুটি সহ কর্মরত অবস্থায় মৃত্যু হলে ৫ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তার ঘোষণাও করা হয়েছে।

বেকার যুবকদের জন্য ‘বাংলার যুব সাথী’ প্রকল্প চালুর ঘোষণা করা হয়েছে, যেখানে মাধ্যমিক উত্তীর্ণ বেকার যুবক-যুবতীরা মাসিক ১,৫০০ টাকা করে ভাতা পাবেন। সেই প্রকল্প চালু হবে আগামী ১৫ অগস্ট থেকে। শর্ত সাপেক্ষে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর পর্যন্ত সেই সহায়তা মিলবে। শর্ত অনুযায়ী যাঁরা চাকরি পাননি, তাঁরাই সেই ভাতা পাবেন। কেউ যদি রাজ্য সরকারের থেকে স্কলারশিপ পান, তাঁরা ওই বেকার ভাতা পাবেন না।

এছাড়া বারুইপুরে কালচারাল সিটি, নতুন শিল্প পার্ক ও শিল্প করিডোর তৈরির পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়েছে। ক্ষুদ্র, কুটির এবং মাঝারি শিল্পের জন্য নতুন পাঁচটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক তৈরি করা হবে। ছ’টি শিল্প করিডোর তৈরি করা হবে রাজ্যে। এর পাশাপাশি রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য সপ্তম বেতন কমিশন গঠনের ঘোষণাও করা হয়েছে।

বাজেট পেশের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাজেটকে জনমুখী বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, “এই বাজেট নিয়ে বাংলার মানুষের গর্ব করা উচিত। কেন্দ্রীয় সরকার বঞ্চনা করছে। বাম সরকারের ঋণ পরিশোধ করতে হয়েছে।“

আরো পড়ুন:  Ramkrishna Paramhansa Deb: রামকৃষ্ণ দেবের জন্ম তিথিতে সম্বোধন ঘিরে বিতর্ক, মোদীর পোস্টে আপত্তি মমতার

অন্যদিকে, অন্তর্বর্তীকালীন রাজ্য বাজেটকে ‘বেকার, বলে কটাক্ষ করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, “নির্বাচনী ইস্তাহার পেশ করা হল। এপ্রিল থেকে কোনও প্রতিশ্রুতি কার্যকর করা সম্ভব নয়। কারণ চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের কয়েকদিনের মধ্যেই আদর্শ আচরণবিধি কার্যকর হয়ে যাবে। এটা বেকার বাজেট। চাকরির কোনও লক্ষ্যমাত্রা নেই। দিশাহীন ও মিথ্যে দলিল, যা এই রাজ্যকে অনেকটাই পিছিয়ে দেবে।“

এদিকে ডিএ মামলায় সুপ্রিম কোর্ট রাজ্য সরকারকে অবিলম্বে বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ মেটানোর নির্দেশ দিয়েছে। বাকি ৭৫ শতাংশ পরিশোধের রূপরেখা চূড়ান্ত করতে চার সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে, যার প্রথম কিস্তি ৩১ মার্চের মধ্যে দিতে হবে। ২০০৮ সালের পর অবসরপ্রাপ্ত কর্মীরাও নির্ধারিত হারে ডিএ পাবেন এবং রোপা ও এআইসিপিআই সূচক মেনেই ডিএ প্রদান করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে। ভোটমুখী বাংলায় রাজ্য সরকার আদৌ কি উচ্চ আদালতের নির্দেশ মানবেন, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ শ্রেণীর একাংশ।

আরও পড়ুনঃ https://bengali.newscope.press/%e0%a6%86%e0%a6%87%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e

Author

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Demo Ad
Sponsored Links

Most Popular

Recent Comments