বন্যার জলে কার্যত বিপর্যস্ত ভূতনীতে বুধবার ত্রাণসামগ্রী পৌঁছতেই তা সংগ্রহ করতে মরিয়া হয়ে উঠলেন বানভাসী অসহায় মানুষজন। মালদা মার্চেন্টের পাঠানো ত্রাণসামগ্রী ভূতনী সেতুর কাছে পৌঁছানোর খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিভিন্ন এলাকা থেকে দুর্গত মানুষজন সেখানে জড়ো হতে শুরু করেন। ত্রাণ পাওয়ার আশায় মহিলা, পুরুষের পাশাপাশি শিশুরাও টিনের ডোঙায় চেপে বন্যার জল পেরিয়ে ভূতনী সেতুর কাছে পৌঁছন।
বন্যার জলে চারদিক কার্যত জলমগ্ন হয়ে থাকায় ত্রাণ সংগ্রহ করতেও দুর্গতদের যথেষ্ট সমস্যার মুখে পড়তে হয়। কিন্তু ত্রাণসামগ্রী পৌঁছানোর খবর পেয়ে সেই সমস্ত বাধা উপেক্ষা করেই বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষজন সেতুর কাছে আসতে থাকেন। ত্রাণ সংগ্রহকে কেন্দ্র করে সেখানে বানভাসী মানুষের মধ্যে কার্যত হাহাকার পড়ে যায়। সকলেই ত্রাণ পাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠেন।
পরিস্থিতি সামাল দিতে সেখানে উপস্থিত ছিলেন মানিকচকের বিধায়ক গৌড়চন্দ্র মণ্ডল, ইংরেজবাজারের বিধায়ক অম্লান ভাদুড়ি-সহ অন্যান্য প্রশাসনিক আধিকারিকরা। দুর্গত মানুষের হাতে যাতে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া যায়, সেই ব্যবস্থাও করা হয়। পরে বানভাসী মানুষজনের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের শুকনো খাদ্যসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।
ত্রাণ হাতে পাওয়ার পর কিছুটা স্বস্তি ফেরে দুর্গত মানুষের মধ্যে। শুকনো খাবার পাওয়ার পর ধীরে ধীরে পরিস্থিতি শান্ত হয় বলে জানা গেছে। বন্যার জলে বিপর্যস্ত ভূতনীতে ত্রাণ পৌঁছনোর খবর পেয়ে যেভাবে মহিলা, পুরুষ থেকে শুরু করে শিশুরাও ডোঙায় চেপে সেতুর কাছে পৌঁছন, তাতে বানভাসী মানুষের অসহায় পরিস্থিতির ছবিই সামনে এসেছে।


Recent Comments