অশোক সেনগুপ্ত
পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর শুরুর আগেই রাজ্যের প্রবল পরাক্রম শাসক দল হুঁশিয়ারি দিয়েছিল। চ্যালেঞ্জ নিয়েছিল হতে দেব না বলে। কেন্দ্রীয় সরকার তো ওভাবে পাল্টা চ্যালেঞ্জ নিতে পারে না! সিইও মনোজ আগরওয়ালের হাত শক্ত করার দায়িত্ব দেওয়া হল সুদর্শন, স্বল্পবাক, প্রবীন আমলা সুব্রত গুপ্তকে। ৪ নভেম্বর শুরু হল যেন এক যুদ্ধ। কৌশল, আইন— প্রায় সব অঙ্গণে। এক পক্ষের হাতিয়ার যদি হয় অপপ্রচার, অপর পক্ষের হাতিয়ার সংবিধান আর আইনি পরকাষ্ঠা। মনোজ-সুব্রতর পাশে প্রায় বিনিদ্র রজনী যাপন করেছেন দিব্যেন্দু দাস, অরিন্দম নিয়োগী, সুব্রত পালের মত নিষ্ঠাবান কিছু সহকর্মী। প্রায় ৪ মাসের যুদ্ধ শেষে যতটাই সমালোচনা ও প্রতিবাদে মুখর রাজ্যের শাসক দল, ততটাই যেন নীরব জয়ের আনন্দ নির্বাচন কমিশনের। সুপ্রিম কোর্টের ধার্য নির্ঘন্ট মেনে প্রকাশিত হয়েছে এসআইআর তালিকা। তাহলে কি ‘গান্ধারীর আবেদন’-এ কবিগুরু বর্ণিত দুর্যোধনের সুরে সুর মিলিয়ে কমিশন-কর্তারা বলতে পারেন, “লভিয়াছি জয়।“ অথবা, “অদ্য আমি জয়ী”?
কমিশন-কর্তাদের উত্তর— আমরা দায়িত্ব পালন করেছি মাত্র। এবার শুরু হল দায়িত্বের দ্বিতীয় অধ্যায়—বিধানসভা নির্বাচনের পাহাড়প্রমাণ প্রস্তুতি।

