back to top
Monday, May 25, 2026
Leaderboard Ad Space (728x90) - Responsive
Homeশিক্ষাThe importance of interviews in government recruitment is being reduced: সরকারি নিয়োগে...

The importance of interviews in government recruitment is being reduced: সরকারি নিয়োগে কমছে মৌখিকের গুরুত্ব! বিধানসভার আগামী অধিবেশনেই নতুন নিয়োগ আইন আনছে রাজ্য সরকার

রাজ্যে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে এবং স্বজনপোষণ রুখতে বড়সড় রদবদল করতে চলেছে বর্তমান রাজ্য সরকার। শনিবার শিয়ালদায় আয়োজিত ‘রোজগার মেলা’-য় উপস্থিত হয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়েছেন, আগামী বাজেট অধিবেশনেই রাজ্য বিধানসভায় নতুন নিয়োগ আইন বা ‘রিক্রুটমেন্ট পলিসি’ পেশ করা হবে।

​মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী, নতুন এই নিয়োগ নীতিতে মৌখিক পরীক্ষা বা ইন্টারভিউয়ের (Viva-voce) গুরুত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হচ্ছে।

​নতুন নিয়োগ আইনের যে রূপরেখা মুখ্যমন্ত্রী তুলে ধরেছেন,

মৌখিক পরীক্ষার নম্বর হ্রাস

​মুখ্যমন্ত্রী জানান, পূর্ববর্তী সরকারের আমলে নিয়োগের ক্ষেত্রে মৌখিক পরীক্ষায় অত্যধিক নম্বর বরাদ্দ থাকার ফলেই দুর্নীতি এবং স্বজনপোষণের ব্যাপক সুযোগ তৈরি হয়েছিল। এই ‘খারাপ প্রথা’ অবিলম্বে বন্ধ করতে চলেছে রাজ্য। নতুন আইনে লিখিত পরীক্ষাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে এবং মৌখিক পরীক্ষার জন্য ন্যূনতম নম্বর (Minimum marks) বরাদ্দ রাখা হবে।

​পরীক্ষার্থীদের মনে আস্থা ফেরাতে এবং মূল্যায়নে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, এবার থেকে সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রার্থীদের ওএমআর (OMR) শিটের একটি কার্বন কপি দেওয়া হবে। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর পরীক্ষার্থীরা সেই কপি নিজেদের সঙ্গে নিয়ে যেতে পারবেন।

​সংরক্ষণ নীতির ক্ষেত্রে যাতে কোনো বেনিয়ম না হয়, তার জন্য ১০০-পয়েন্ট রোস্টার (100-point roster) কঠোরভাবে মেনে চলা হবে। ওবিসি (OBC), এসসি/এসটি (SC/ST), বিশেষভাবে সক্ষম এবং আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া (EWS) প্রার্থীদের জন্য নির্দিষ্ট সংরক্ষণ সুনিশ্চিত করা হবে।

ওয়েবসাইটে নম্বর প্রকাশ

​নিয়োগকারী সংস্থাগুলির ওয়েবসাইটে প্রত্যেক প্রার্থীর প্রাপ্ত নম্বর বিস্তারিতভাবে প্রকাশ করা হবে। অ্যাকাডেমিক এক্সেলেন্স বা শিক্ষাগত যোগ্যতার সঠিক এবং নিরপেক্ষ মূল্যায়ন করা হবে বলে মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন।

​রাজ্যের সমস্ত নিয়োগকারী সংস্থা (Recruitment Boards) এবং কমিশনগুলিকে নিয়ে আগামী ৬ জুন একটি বিশেষ সিম্পোজিয়াম বা বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে নতুন নিয়োগ নীতির বাস্তবায়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।

আরো পড়ুন:  সৌজন্যসাক্ষাতেই রাজ্যপালকে নালিশ বিরোধী দলনেতার

​পূর্ববর্তী তৃণমূল সরকারের আমলে শিক্ষক ও পুরসভা নিয়োগে হওয়া পাহাড়প্রমাণ দুর্নীতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই ধরনের দুর্নীতির কারণেই কলকাতা হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্টকে হস্তক্ষেপ করতে হয়েছিল। এর ফলে রাজ্যের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হয়েছে। এমনকি, দুর্নীতির কারণে কেন্দ্রীয় রেলওয়ে রিক্রুটমেন্ট বোর্ডগুলিও রাজ্যে তাদের পরীক্ষাকেন্দ্র রাখতে চাইছিল না, যার ফলে এ রাজ্যের ছেলেমেয়েদের বিহার বা ওড়িশায় গিয়ে পরীক্ষা দিতে হচ্ছিল। এই কলঙ্কিত অধ্যায় মুছে ফেলে, মেধার ভিত্তিতে ‘হোয়াটসঅ্যাপে নয়, সম্পূর্ণ স্বচ্ছ উপায়ে’ রাজ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু করাই তাঁর সরকারের প্রধান লক্ষ্য বলে জানান তিনি।

Author

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Demo Ad
Sponsored Links

Most Popular

Recent Comments