Ankita Mondal: শুধু ‘প্রতীকী’ হয়েই থাকবে মহাকরণ? স্থানাভাবে পূর্ণাঙ্গ সচিবালয় ফেরা নিয়ে সংশয়ে রাজ্য প্রশাসন। পুজোর আগে ৬টি দপ্তর ফিরলেও, বাকি দপ্তর নিয়ে বড় প্রশ্ন।
২০২৬-এর বিধানসভা ভোটে জিতে বিজেপি ক্ষমতায় আসে, মুখ্যমন্ত্রী হন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি ঘোষণা দেন, ২০১৩ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে সচিবালয় মহাকরণ থেকে সরিয়ে হাওড়ার নবান্নে নিয়ে গিয়েছিলেন, তা ফের ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিংয়ে ফিরিয়ে আনা হবে।
সেই মতো সংস্কার কাজ শুরু হয়। প্রথম আলোর খবর অনুযায়ী, ১০ অক্টোবর মুখ্যমন্ত্রী সহ ৫ মন্ত্রীর দপ্তর মহাকরণে শুরু হওয়ার কথা ছিল।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (আগে দোতলায় ছিল, এবার তিনতলায়)
- পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ
- পৌর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল • পর্যটন মন্ত্রী শংকর ঘোষ
- স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়
• পূর্ত মন্ত্রী অজয় পোদ্দার
এছাড়া মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব এবং ডিজির দপ্তরও তৈরি।
প্রশাসনের ভেতরের খবর, ১৭৮০ সালে তৈরি টমাস লায়নের নকশায় তৈরি এই হেরিটেজ বিল্ডিংয়ে জায়গার বড় অভাব। একসময় ১৯টি কেরানির ঘর নিয়ে তৈরি হওয়া এই ভবনে এখনকার বিশাল সচিবালয়ের সব দপ্তর আঁটানো প্রায় অসম্ভব।
ফলে প্রশ্ন উঠছে, মহাকরণ কি শুধু ‘প্রতীকী’ সচিবালয় হয়েই থাকবে? মুখ্যমন্ত্রী ও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীর দপ্তর সেখানে থাকবে, কিন্তু বাকি ৪০টির বেশি দপ্তর নবান্নেই থেকে যাবে?
রাজ্য প্রশাসনের একাংশের মতে, হেরিটেজ কমিশনের আপত্তি, স্থানাভাব এবং আধুনিক পরিকাঠামোর অভাবে পূর্ণাঙ্গ সচিবালয় ফেরানো এখনই সম্ভব নয়।
তাই আপাতত মহাকরণে ‘আংশিক’ ফেরা হলেও, নবান্নই থাকছে রাজ্যের প্রশাসনিক কাজের মূল কেন্দ্র।

Recent Comments