অশোক সেনগুপ্ত
ডিমকাণ্ডে ভরপুর সংবাদের বাজারে ডিম নিক্ষেপকারীদের সুপ্রিম কোর্টে টেনে নিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। ঠিক সেসময় ডিম-নিক্ষেপের পক্ষে সওয়াল করেছেন প্রাক্তন রাজ্যপাল তথাগত রায়। এক পা এগিয়ে অনুরোধ করেছেন, “ভাল ডিম বা টমেটো ছুঁড়বেন না, ডিমপট্টি থেকে বোমপচা ডিম এনে ছুঁড়ুন।” রবিবার সকালে এই পোস্টে রাত ৮ টায় প্রতিক্রিয়া ও শেয়ার হয়েছে যথাক্রমে ৫০১ ও ২১৯।
তিনি লিখেছেন, “আমার যতদূর জানা আছে, ডিম বা টমেটো ছোঁড়ার বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধিতে বা ন্যায় সংহিতাতে কোন নিষেধাজ্ঞা নেই। প্রশ্নটি সোশাল মিডিয়াতে রাখা সত্ত্বেও কোন জবাব পাওয়া যায় নি। অতএব যাঁরা চান তাঁরা মনের আনন্দে ডিম বা টমেটো ছুঁড়ুন। তবে অনুরোধ, ভাল ডিম বা টমেটো ছুঁড়বেন না, ডিমপট্টি থেকে বোমপচা ডিম এনে ছুঁড়ুন।”
প্রতিক্রিয়ায় পার্থ দাস লিখেছেন, “যাদের পচা ডিম্ ছুড়বো বলে ভেবেছিলাম, তারা তো ঘুরপথে এখন BJP হয়ে গেছে…
কি করি এইবার!” সফি মল্লিক লিখেছেন, “আগে সৌগত রায়কে পচা ডিম পচা টমাটো থেরাপি আচ্ছা করে দেওয়া হোক।” পীযূষ রায় লিখেছেন, “ওদের সঙ্গে ‘পচা আলু’ কে দলভুক্ত করলে, আলুচাষীরা ক্রিঞ্চিত উপকৃত হয়।
মৃগাঙ্ক চ্যাটার্জী লিখেছেন, “ভালো ডিম এর থেকে পচা ডিমের দাম এখন বেশি– তবে কোনো তোলামুলি কেই যেন আমাদের দলের নেওয়া না হয়। একটা পচা আলুর সাথে থাকলে ১০তা ভালো আলু ও পচে যায়।”
প্রকাশ দাস লিখেছেন, “চোর, দেশবিরোধীদের পচা ডিম বা টমেটো ছোড়া অন্যায় নয়।”
অনেকে তথাগতবাবুর মন্তব্যের বিরোধিতাও করেছেন। পবিত্র ধোনী লিখেছেন, “আপনি ভুলে যাবেন না আপনি একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছাড়াও আপনি একজন গভর্ণর ছিলেন, শিক্ষিত এবং শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষের কাছে নিজের গ্ৰহনযোগ্যতা হারাবেন না দয়া করে।
মৈনুল কাদের হিমু লিখেছেন, “আপনিও ওয়েট করেন। আপনারও পচা ডিম পচা টমেটো খাওয়ার সময় আসবে। আশিস কুমার দাস লিখেছেন, “স্যার আপনার মত শিক্ষিত লোক কে এইভাবে কিছু লুম্পেন কে উৎসাহিত করা শোভিত নয়। ওদের সঙ্গে আপনার মানসিকতার কোনো ভিন্নতা পেলাম না। আসল বড় বড় নেতা/ নেত্রীকে শেল্টার দেওয়া হচ্ছে চুনোপুঁটিদের এগুলো না করাই বাঞ্ছনীয়। আসলে ওদের দ্বারাই আমাদের দলের স্থায়িত্ব কঠিন হবে বলে? আইনের শাসনের কথাটা কি কেবল বৈদ্যুতিক মাধ্যমের জন্য?”
দেবাশিস সরকার লিখেছেন, “আমি কট্টর তৃণমূল কংগ্রেসের বিরোধি, তারপরেও বলতে বাধ্য হচ্ছি— বাঁদর বুড়া হলেও গাছ বাওয়া ছাড়ে না, তার জ্বলন্ত উদাহরণ হচ্ছেন আপনি! একজন ত্রিপুরাবাসী হিসেবে আমি লজ্জিত আপনি আমাদের রাজ্যের কোনও একসময় রাজ্যপাল ছিলেন!”


Recent Comments