ভোট-পরবর্তী হিংসার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষেত্রে ভারতের নির্বাচন কমিশন (ইসি) এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) সর্বোচ্চ সতর্কতা নিচ্ছেন। শুক্রবারসিইও এবং ইসি-র তরফে এ কথা জানানো হয়েছে।
এক বিবৃতিতে জানানো হয়, “ভোট-পরবর্তী সময়কালে আমরা এমন একটি নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যেখানে আইনের শাসন থাকবে এবং প্রতিটি নাগরিক সুরক্ষিত থাকবেন।ভোটগণনা কেন্দ্র থেকে শুরু করে রাজ্যের প্রত্যন্ত এলাকা পর্যন্ত– সর্বত্রই ভোট-পরবর্তী হিংসা প্রতিরোধ করতে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করতে আমরা পূর্ণ সতর্কতা অবলম্বন করছি।
বহুস্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা
•রাজ্যব্যাপী স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং অশান্তি প্রতিরোধ করার জন্য ৭০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনী (সিএপিএফ) মোতায়েন রাখা হবে।
•সবকটি ভোটগণনা কেন্দ্রে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলিতে বিশেষ টহলদারির ব্যবস্থা রয়েছে।
•ডিজিটাল অ্যাক্সেস কন্ট্রোল: কিউআর-কোড সম্বলিত পরিচয়পত্রধারী অনুমোদিত কর্মীদেরই শুধুমাত্র ভোটগণনা কেন্দ্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে।
•২৪/৭ কমান্ড হাব: কোনো অবাঞ্ছিত ঘটনা ঘটলে অবিলম্বে তার মোকাবিলার জন্য ভারতের নির্বাচন কমিশন এবং মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কার্যালয় থেকে তাৎক্ষণিক নজরদারি চালানো হবে।
•কোনো বেআইনি কার্যকলাপ ঘটলে তা জরুরি ভিত্তিতে জানাতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শান্তি বিঘ্নিত করার কোনোরকম প্রচেষ্টা করলে অবধারিতভাবে শাস্তি পেতে হবে।
•কলকাতা হাইকোর্ট জানিয়েছে যে, অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সুনিশ্চিত করার জন্য নির্বাচনপ্রক্রিয়া চলাকালীন অসামরিক এবং পুলিশ প্রশাসন নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণাধীনে থাকবে।১৮০০ ৩৪৫ ০০০৮ – এই হেল্পলাইন নম্বরে যোগাযোগ করুন।ই-মেইল: wbfreeandfairpolls@gmail.comগোপনীয়তা: আপনার পরিচয় গোপন রাখা হবে।”


Recent Comments