সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে পায়ে হেঁটে টহল দিয়ে কার্যত শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে দুষ্কৃতীদের উদ্দেশে কড়া বার্তা দেওয়া হয়।প্রশাসনের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, ভোটকে কেন্দ্র করে কোনো অশান্তি বা ভয় দেখানোর চেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না। আইন ভাঙলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সাধারণ ভোটারদের আশ্বস্ত করে বলা হয়েছে, তারা যেন নির্ভয়ে নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করেন।রুটমার্চ ঘিরে এলাকায় কৌতূহলী মানুষের ভিড় দেখা যায়। স্থানীয়দের একাংশের মতে, এই ধরনের উদ্যোগে ভোটের আগে নিরাপত্তা নিয়ে তাঁদের আস্থা আরও বেড়েছে।
উল্লেখ্য, রবিবার সকালেই সেকেন্দ্রা গ্রাম পঞ্চায়েতের ভাঙ্গড়পাড়া এলাকায় কংগ্রেসের দলীয় পতাকা টাঙানোকে কেন্দ্র করে সাময়িক উত্তেজনা ছড়ায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় রঘুনাথগঞ্জ থানার পুলিশ, দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এরপর বিকেলের দিকে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে ওই এলাকাতেই রুটমার্চ করেন এসডিপিও প্রবীর মন্ডল।সব মিলিয়ে, নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই জঙ্গিপুর মহকুমা জুড়ে বাড়ছে টহলদারি, নাকা চেকিং ও নজরদারি। প্রশাসনের একটাই লক্ষ্য—শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করা।

Recent Comments