স্থলে জলে বনতলে... নিউজস্কোপ-এর নিবেদন
অশোক সেনগুপ্ত
‘মধুর অমৃতবাণী বেলা গেল সহজেই, মরমে উঠিল বাজি বসন্ত এসে গেছে!’ ঋতুরাজের আগমনী বার্তায় ইতিমধ্যেই রঙিন হয়ে উঠছে চারপাশ। দোল ও হোলির আর বেশি দেরি নেই। রাজনীতির মোড়কেও দোল ও হোলিকে ঘিরে শুরু হয়েছে জনসংযোগের চর্চা।
দোলের আগেই রঙিন হয়ে উঠলেন বিজেপি-র প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ইকো পার্কে প্রাতঃর্ভ্রমণে গিয়ে রঙ খেললেন তিনি। গেরুয়া আবির মেখে ‘রং বরসে’ গানে নাচতেও দেখা গেল তাঁকে। এসআইআর-এর পর ভোটারতালিকা প্রকাশের দিন তাঁর দোল খেলা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। আগামী মঙ্গলবার দোল উৎসব। দোলের দিন রঙিন হয়ে ওঠেন সাধারণ মানুষ থেকে রাজনৈতিক নেতানেত্রীরাও। তবে দিলীপ ঘোষ কার্যত তিন দিন আগেই রঙিন হয়ে উঠলেন। মাথায় পাগড়ি পড়ে পরিচিত অনুগামীদের সঙ্গে রীতিমত জমিয়ে দিলেন তিনি।


বিয়ের পর দিলীপ ঘোষের এবার প্রথম দোল। রিঙ্কুর সঙ্গে দোলে কতখানি তিনি মেতে উঠবেন, সময়ই সেটা বলবে। সন্দেহ নেই, সেটাও সংবাদমাধ্যমে চর্চার বিষয় হবে। তাই বলে কি পিছিয়ে থাকবেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়? শনিবার হাওড়ার ডোমজুড় বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত সলপ বটতলায় বসন্তোৎসবের সমাবেশ যেন হয়ে উঠল যেন রাজ্যের শাসক দলের সভা। সেখানে কল্যাণবাবু কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ থেকে শুরু করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে চড়া স্বরে একহাত নিলেন।
বসন্তের মিঠে হাওয়ায় রঙের উচ্ছ্বাসে মেতে উঠবে রাজ্যবাসী। আর সেই রঙের উৎসবকে ঘিরেই চরম ব্যস্ততা। ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের বাদ্যি বেজে গিয়েছে। আর তার আঁচ লেগেছে এবার দোলের বাজারেও। আবির-রঙের ভিড়ে নজর কাড়ছে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতীক দেওয়া পিচকিরি। ঘাসফুল না কি পদ্ম— কোন পিচকিরির চাহিদা বেশি— কে তার বিচার করে?
৩ তারিখে দোল। আর সেদিনই বাড়ি বাড়ি গিয়ে দোল খেলার পরিকল্পনা করেছে তৃণমূল মহিলা কংগ্রেস। উৎসবের শিরোনাম দেওয়া হয়েছে ‘বসন্ত আজ বঙ্গে, মহিলাদের সঙ্গে’।
গত দেড় দশক মহিলাদের জন্য তৃণমূল কী কী করেছে, তার ফিরিস্তি দেওয়া হবে সেই জমায়েতে।


Recent Comments