স্ট্রংরুমের সামনে এবার ২৪ ঘণ্টা ব্যাপী থাকবেন কমিশনের আধিকারিক। নজরদারিতে থাকবে রিটার্নিং অফিসার বা অ্যাসিস্ট্যান্ট রিটার্নিং অফিসার মনোনীত একজন আধিকারিক। ২৪ ঘণ্টাই স্ট্রং রুমের সামনেই থাকবেন তিনি।
ঠিক হয়েছে, ১) এতদিন এখানে থাকতেন পুলিশ বা পুলিশের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক। স্টংরুমে যিনি ঢুকবেন তাঁকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অনুমতি নিয়ে তবেই ঢুকতে হবে।
২) স্ট্রংরুমের ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর যে ঘেরাটোপ রয়েছে, সেখানে আরও বাড়ানো হচ্ছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা।
পাশাপাশি, ৩) স্ট্রংরুমে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা আইনের ১৬৩ ধারাও জারি করা হচ্ছে। স্ট্রং রুমের নিরাপত্তার জন্য এই তিন পদক্ষেপ হচ্ছে। নির্দেশিকা দেওয়া হচ্ছে। জানালেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল।
ভোটপর্ব মেটার পরে এ বার স্ট্রংরুম বিতর্ক। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত তৃণমূলের ধর্না-বিক্ষোভ এবং বিজেপির পাল্টা জমায়েত নিয়ে সরগরম রইল উত্তর এবং দক্ষিণ কলকাতার দুই গণনাকেন্দ্র। বৃহস্পতিবার রাতে প্রথমে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্র। তার পরে দক্ষিণ কলকাতার সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুল। প্রথম ক্ষেত্রে তৃণমূলের কুণাল ঘোষ, শশী পাঁজার পাশাপাশি হাজির ছিলেন বিজেপির দুই প্রার্থী তাপস রায় ও সন্তোষ পাঠক। দ্বিতীয় ঘটনায় ভবানীপুরের তৃণমূল প্রার্থী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বন্দরের তৃণমূল প্রার্থী তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। শুক্রবারও নেতানেত্রীরা যান বিভিন্ন স্ট্রংরুমে।


Recent Comments